মোবাইল ফোন অপারেটররা কোন্ অ্যালগরিদম ব্যবহার করে লোকেশন ট্র্যাক করে?
সঠিক উত্তর
খTriangulation
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে মোবাইল অপারেটর কোন পদ্ধতিতে ফোনের অবস্থান বের করে। উত্তর ট্রায়াঙ্গুলেশন বা ত্রিভুজায়ন।
ফোন সবসময় কাছের কয়েকটি টাওয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখে। টাওয়ার সিগন্যালের শক্তি, সিগন্যাল পৌঁছানোর সময় বা আসার দিক মেপে বোঝে ফোনটা মোটামুটি কত দূরে বা কোন দিকে। একটি টাওয়ার দিলে শুধু একটা বৃত্ত পাওয়া যায়, দুটি দিলে দুটি সম্ভাব্য বিন্দু, আর তিনটি টাওয়ারের মাপ মেলালে একটি নির্দিষ্ট জায়গা।
কঠোর অর্থে দূরত্ব দিয়ে মাপাকে বলে ট্রাইল্যাটারেশন আর কোণ দিয়ে মাপাকে ট্রায়াঙ্গুলেশন; তবে সাধারণ ভাষায় দুটোকেই ট্রায়াঙ্গুলেশন বলা হয়। জিপিএসও দূরত্বভিত্তিক একই ধারণায় কাজ করে।
বাকিগুলো অন্য কাজের অ্যালগরিদম। শর্টেস্ট পাথ দুই জায়গার মধ্যে সবচেয়ে ছোট পথ খোঁজে, নিয়ারেস্ট নেইবার সবচেয়ে কাছের বিন্দু খোঁজে, আর এনক্রিপশন তথ্য গোপন রাখে। ম্যাপ অ্যাপের কথা ভেবে অনেকে শর্টেস্ট পাথ বেছে নেন, এটাই ফাঁদ।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| টাওয়ারের সংখ্যা | কী জানা যায় |
|---|---|
| ১টি | একটি বৃত্তের ওপর কোথাও |
| ২টি | দুই বৃত্তের ছেদে দুটি সম্ভাব্য বিন্দু |
| ৩টি | তিন বৃত্তের ছেদে একটি বিন্দু: ফোনের অবস্থান |
- ১টি টাওয়ার: ফোন তার চারপাশের একটি বৃত্তের ওপর কোথাও।
- ২টি টাওয়ার: দুই বৃত্তের ছেদে দুটি সম্ভাব্য বিন্দু।
- ৩টি টাওয়ার: তিন বৃত্ত মেলে একটি বিন্দুতে; এটাই ট্রায়াঙ্গুলেশন।
ক. Shortest Path: Shortest Path (যেমন Dijkstra) দুই বিন্দুর মধ্যে ছোট পথ খোঁজে, অবস্থান নির্ণয় করে না; ম্যাপ অ্যাপের কারণে ফাঁদ।
গ. Nearest-neighbour: Nearest-neighbour সবচেয়ে কাছের বিন্দু বা তথ্য খোঁজে; ফোনের অবস্থান মাপে না।
ঘ. Encryption: Encryption তথ্য গোপন রাখার পদ্ধতি; লোকেশন ট্র্যাকিংয়ের সঙ্গে সম্পর্ক নেই।
অবস্থান বের করতে অন্তত ৩টি রেফারেন্স (টাওয়ার বা স্যাটেলাইট) লাগে; নামেই ‘Tri’।
তিন টাওয়ার, এক ঠিকানা।