কোন্ বাঙালি বিজ্ঞানী কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে গবেষনা করেছেন?
সঠিক উত্তর
গজামাল নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে গবেষণা করা বাঙালি বিজ্ঞানীর নাম জানতে চেয়েছে। উত্তর অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম, যিনি ছিলেন গণিতবিদ, তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী ও বিশ্বতত্ত্ববিদ।
তিনি ঝিনাইদহে জন্ম নেন এবং কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা ও গবেষণা করেন। তাঁর গবেষণার ক্ষেত্র ছিল আপেক্ষিকতা, মহাকর্ষ ও মহাবিশ্বের বিবর্তন। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস থেকে প্রকাশিত তাঁর বই দ্য আলটিমেট ফেট অব দ্য ইউনিভার্স বিশ্বজুড়ে পরিচিত, আর বাংলা একাডেমি থেকে কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে তাঁর বাংলা বই কৃষ্ণ বিবরও প্রকাশিত হয়েছে।
দেশে ফিরে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গাণিতিক ও ভৌত বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক হিসেবে কাজ করেন এবং দুই হাজার তেরো সালে চট্টগ্রামেই মারা যান।
বাকি তিনজনও বিখ্যাত, তবে অন্য ক্ষেত্রে। কুদরত-ই-খুদা রসায়নবিদ, কাজী মোতাহার হোসেন পরিসংখ্যানবিদ ও সাহিত্যিক, আর অতীশ দীপংকর হাজার বছর আগের বৌদ্ধ পণ্ডিত। প্রশ্নে গবেষনা বানানটি পরীক্ষায় যেমন ছাপা হয়েছে তেমন রাখা হয়েছে; শুদ্ধ বানান গবেষণা, মূর্ধন্য ণ দিয়ে।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪| নাম | ক্ষেত্র | পরিচিতি |
|---|---|---|
| ড. কুদরত-ই-খুদা | রসায়ন | স্বাধীন দেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন |
| কাজী মোতাহার হোসেন | পরিসংখ্যান | জাতীয় অধ্যাপক, দাবাড়ু, সাহিত্যিক |
| অতীশ দীপংকর | বৌদ্ধ দর্শন | তিব্বতে বৌদ্ধধর্ম প্রচার |
| জামাল নজরুল ইসলাম | গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, বিশ্বতত্ত্ব | দ্য আলটিমেট ফেট অব দ্য ইউনিভার্স, ১৯৮৩ |
- চারজনই বিখ্যাত বাঙালি, প্রশ্ন হলো কে কোন ক্ষেত্রে।
- কুদরত-ই-খুদা রসায়ন, কাজী মোতাহার হোসেন পরিসংখ্যান।
- অতীশ দীপংকর প্রাচীন বৌদ্ধ পণ্ডিত, আধুনিক বিজ্ঞানী নন।
- জামাল নজরুল ইসলাম কৃষ্ণগহ্বর ও মহাবিশ্বের পরিণতি নিয়ে গবেষণা করেন।
ক. ড. কুদরত-ই-খুদা: কুদরত-ই-খুদা ছিলেন রসায়নবিদ; স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশনের প্রধান হিসেবে বেশি পরিচিত।
খ. কাজী মোতাহার হোসেন: কাজী মোতাহার হোসেন ছিলেন পরিসংখ্যানবিদ, সাহিত্যিক ও দাবাড়ু; কৃষ্ণগহ্বর তাঁর গবেষণার বিষয় নয়।
ঘ. অতীশ দীপংকর: অতীশ দীপংকর প্রায় হাজার বছর আগের বৌদ্ধ পণ্ডিত; আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সঙ্গে সম্পর্ক নেই।
কৃষ্ণগহ্বর বা মহাবিশ্বের পরিণতি দেখলেই জামাল নজরুল ইসলাম।
কৃষ্ণগহ্বরের জামাল, মহাবিশ্বের শেষ পরিণতির লেখক।