কোন এলাকাটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন জনযুদ্ধে ক্যাপ্টেন (অবঃ) আব্দুল হালিম চৌধুরীর দ্বারা গঠিত আঞ্চলিক বাহিনীর আওতাধীন এলাকা ছিল না?
সঠিক উত্তর
গকালিয়াকৈর
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা মুক্তিযুদ্ধের আঞ্চলিক বাহিনী হালিম বাহিনীর কর্মএলাকা জানতে চেয়েছে, আর জিজ্ঞেস করেছে কোন এলাকা এর বাইরে ছিল। উত্তর কালিয়াকৈর।
ক্যাপ্টেন অবসরপ্রাপ্ত আব্দুল হালিম চৌধুরী মানিকগঞ্জে এই বাহিনী গড়ে তোলেন। ১৯৭১ সালের এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহে মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে পদ্মাতীরে এর সদর দপ্তর হয়। ২২টি থানার প্রায় ৮০০ বর্গকিলোমিটার এলাকায় বাহিনীটি সক্রিয় ছিল, যোদ্ধার সংখ্যা এক পর্যায়ে প্রায় দুই হাজারে পৌঁছায়।
এর এলাকা ছিল মানিকগঞ্জের থানাগুলো, ঢাকার ধামরাই, সাভার, নবাবগঞ্জ ও দোহার, আর মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর পর্যন্ত। বাহিনীর একটি ইউনিট নবাবগঞ্জ, দোহার ও কেরানীগঞ্জে সক্রিয় ছিল। অর্থাৎ মানিকগঞ্জ থেকে ঢাকার পশ্চিম ও দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ।
কালিয়াকৈর গাজীপুরে, ঢাকার উত্তরে। মানচিত্রে ধামরাই ও সাভারের কাছে হওয়ায় একে এলাকার ভেতরে ভাবাই এখানে ফাঁদ।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| এলাকা | জেলা | হালিম বাহিনী |
|---|---|---|
| হরিরামপুর | মানিকগঞ্জ | সদর দপ্তর |
| ধামরাই ও সাভার | ঢাকা | আওতাধীন |
| নবাবগঞ্জ, দোহার, কেরানীগঞ্জ | ঢাকা | আওতাধীন |
| কালিয়াকৈর | গাজীপুর | আওতার বাইরে |
- হালিম বাহিনীর কেন্দ্র মানিকগঞ্জ, সদর দপ্তর হরিরামপুরে।
- এলাকা বিস্তৃত ছিল ধামরাই, সাভার ও ঢাকার দক্ষিণ-পশ্চিম পর্যন্ত।
- কালিয়াকৈর গাজীপুরে, এই এলাকার বাইরে।
ক. ধামরাই: ধামরাই মানিকগঞ্জের লাগোয়া ঢাকার থানা এবং হালিম বাহিনীর কর্মএলাকার অংশ ছিল।
খ. কেরানীগঞ্জ: কেরানীগঞ্জ ঢাকার দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে; হালিম বাহিনীর একটি ইউনিট নবাবগঞ্জ, দোহার ও কেরানীগঞ্জে সক্রিয় ছিল।
ঘ. সাভার: সাভার ধামরাইয়ের পাশের থানা এবং হালিম বাহিনীর আওতাধীন এলাকা ছিল।
হালিম বাহিনী মানে মানিকগঞ্জ থেকে ঢাকার পশ্চিম ও দক্ষিণ-পশ্চিম; গাজীপুর নয়।
হালিমের ঘর মানিকগঞ্জ, কালিয়াকৈর পরের জেলা।