উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যকার বিভক্তকারী রেখা হলো ______ উত্তর অক্ষাংশ।
সঠিক উত্তর
ক৩৮°
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা জানতে চেয়েছে দুই কোরিয়াকে কোন অক্ষরেখা ভাগ করেছিল। উত্তর আটত্রিশ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ, ইংরেজিতে যাকে বলে থার্টি-এইটথ প্যারালাল।
উনিশশো দশ থেকে কোরিয়া জাপানের অধীনে ছিল। উনিশশো পঁয়তাল্লিশ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের পরাজয়ের পর আটত্রিশ ডিগ্রি অক্ষরেখার উত্তরে সোভিয়েত ইউনিয়ন আর দক্ষিণে যুক্তরাষ্ট্র দখল নেয়। উনিশশো আটচল্লিশ সালে দুই আলাদা রাষ্ট্র গঠিত হয়।
উনিশশো তিপ্পান্ন সালের যুদ্ধবিরতির পর আসল সীমানা হয় যুদ্ধবিরতি রেখা, যা আটত্রিশ ডিগ্রি রেখার কাছাকাছি দিয়ে আঁকাবাঁকাভাবে গেছে। এর দুই পাশে প্রায় চার কিলোমিটার চওড়া অসামরিক অঞ্চল আছে।
অন্য বিকল্পগুলোর অক্ষরেখাও পরীক্ষায় আসে। উনপঞ্চাশ ডিগ্রি উত্তর অক্ষরেখা যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার পশ্চিমাংশের সীমানা, আর সাড়ে তেইশ ডিগ্রি উত্তর হলো কর্কটক্রান্তি রেখা, যা বাংলাদেশের মাঝখান দিয়ে গেছে।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| অক্ষরেখা | কী ভাগ করে |
|---|---|
| ৩৮° উত্তর | উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া (১৯৪৫) |
| যুদ্ধবিরতি রেখা (১৯৫৩) | ৩৮° রেখার কাছাকাছি, দুই পাশে অসামরিক অঞ্চল |
| ৪৯° উত্তর | যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা (পশ্চিমাংশ) |
| ২৩.৫° উত্তর | কর্কটক্রান্তি রেখা, বাংলাদেশের মাঝ দিয়ে |
| ১৭° উত্তর | উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম (১৯৫৪) |
- ১৯৪৫ সালে কোরিয়া ভাগ হয় ৩৮° উত্তর অক্ষরেখা বরাবর।
- ১৯৫৩ সালের যুদ্ধবিরতি রেখা ৩৮° রেখার কাছ দিয়েই গেছে, দুই পাশে অসামরিক অঞ্চল।
- বাকি রেখা: ৪৯° যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা, ২৩.৫° কর্কটক্রান্তি, ১৭° একসময়ের দুই ভিয়েতনাম।
খ. ৩৪°: ৩৪° উত্তর অক্ষরেখা কোনো পরিচিত বিভাজন রেখা নয়; কাছাকাছি সংখ্যা দিয়ে বিভ্রান্ত করা।
গ. ৪৯°: ৪৯° উত্তর অক্ষরেখা যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার পশ্চিমাংশের সীমানা, কোরিয়ার নয়।
ঘ. ২৩.৫০°: ২৩.৫° উত্তর হলো কর্কটক্রান্তি রেখা; এটি কোনো দেশ ভাগ করে না, বাংলাদেশের মাঝ দিয়ে গেছে।
কোরিয়া ৩৮, ভিয়েতনাম ১৭, যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা ৪৯।
আটত্রিশে দুই কোরিয়া, সতেরোয় দুই ভিয়েতনাম, উনপঞ্চাশে যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা।