বায়ুমণ্ডল ও মহাশূন্যের মধ্যবর্তী রেখাটির নাম কী?
সঠিক উত্তর
গকারমান লাইন
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা জানতে চেয়েছে বায়ুমণ্ডল কোথায় শেষ আর মহাশূন্য কোথায় শুরু ধরা হয়। এই কাল্পনিক সীমার নাম কারমান রেখা, যা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় একশো কিলোমিটার ওপরে।
নামটি এসেছে হাঙ্গেরীয়-মার্কিন প্রকৌশলী থিওডোর ভন কারমানের নাম থেকে। এত ওপরে বাতাস এত পাতলা যে ডানার ওপর ভর করে বিমান আর উড়তে পারে না; উড়তে হলে প্রায় কক্ষপথের গতি লাগে। আন্তর্জাতিক বিমান চালনা সংস্থা এফ এ আই মহাকাশ রেকর্ডের জন্য একশো কিলোমিটারকেই সীমা ধরে।
স্তরের হিসাবে কারমান রেখা মধ্যমণ্ডলের ঠিক ওপরে, তাপমণ্ডলের নিচের অংশে। তবে এটা সর্বজনীন আইনি সীমা নয়; যুক্তরাষ্ট্রের নাসা ও বিমানবাহিনী প্রায় আশি কিলোমিটার বা পঞ্চাশ মাইলকে সীমা ধরে।
ট্রপোপজ বিকল্পটি বড় ফাঁদ। এটিও একটি সীমারেখা, তবে ট্রপোমণ্ডল আর স্ট্র্যাটোমণ্ডলের মাঝের, ভূপৃষ্ঠ থেকে মাত্র আট থেকে আঠারো কিলোমিটার উঁচুতে। বিষুবরেখা পৃথিবীর গায়ে আঁকা অক্ষরেখা, আর কলোরাডো লাইন নামে এমন কোনো সীমা নেই।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩- সবচেয়ে নিচে ট্রপোমণ্ডল; এর ওপরের সীমা ট্রপোপজ, মাত্র ৮ থেকে ১৮ কিমি উঁচুতে।
- তার ওপরে স্ট্র্যাটোমণ্ডল ও মধ্যমণ্ডল, প্রায় ৮০ থেকে ৮৫ কিমি পর্যন্ত।
- প্রায় ১০০ কিমি উঁচুতে কারমান রেখা: এর ওপর থেকে মহাশূন্য ধরা হয়।
ক. বিষুবরেখা: বিষুবরেখা ভূপৃষ্ঠের শূন্য ডিগ্রি অক্ষরেখা, ওপরের দিকের কোনো সীমা নয়।
খ. ট্রপোপজ: ট্রপোপজ ট্রপোমণ্ডল ও স্ট্র্যাটোমণ্ডলের মাঝের সীমা, মাত্র ৮ থেকে ১৮ কিমি উঁচুতে; সীমারেখা শুনে এটাই বেশি বেছে নেওয়া হয়।
ঘ. কলোরাডো লাইন: কলোরাডো লাইন নামে বায়ুমণ্ডলের কোনো সীমারেখা নেই; বানানো বিকল্প।
পোজ শব্দ দেখলেই বুঝবেন দুই স্তরের মাঝের সীমা; মহাশূন্যের সীমা মানে কারমান রেখা, প্রায় ১০০ কিমি।
একশো কিলোমিটার পেরোলেই কারমানের পরে মহাকাশ।