আমাদের সম্পর্কে
প্রশ্নব্যাংক নতুন · ফ্রি৩,০২১টি আসল বিসিএস প্রশ্ন, ব্যাখ্যাসহসমাধান ও ব্যাখ্যা
সাধারণ বিজ্ঞানরূপালী ব্যাংক: সিনিয়র অফিসার (২০১৯)

The normal threshold of hearing is around .

সঠিক উত্তর

ঘ25-45 db

ব্যাখ্যা

শব্দের তীব্রতা মাপা হয় ডেসিবেলে। মানুষ যে সবচেয়ে মৃদু শব্দ শুনতে পারে তাকে শ্রবণসীমা বা threshold of hearing বলে; সুস্থ তরুণের কানে এটি প্রায় শূন্য ডেসিবেল।

বাস্তবে কারও শ্রবণসীমা প্রায় ২৫ ডেসিবেল পর্যন্ত থাকলে শ্রবণশক্তি স্বাভাবিক ধরা হয়। এর বেশি হলে, যেমন ২৫ থেকে ৪০ ডেসিবেলের ঘরে, সাধারণত মৃদু শ্রবণ-ঘাটতি বলা হয়।

বিকল্পগুলোর মধ্যে স্বাভাবিক সীমার সবচেয়ে কাছে আছে ২৫ থেকে ৪৫ ডেসিবেল, তাই প্রশ্নকর্তার কাঙ্ক্ষিত উত্তর এটি। স্বাভাবিক কথাবার্তা প্রায় ৬০ ডেসিবেল, আর ১২০ ডেসিবেলের কাছাকাছি শব্দ কানে ব্যথা দেয়।

ফাঁদ হলো ৬০ থেকে ৮০ ডেসিবেল বেছে নেওয়া; এটি স্বাভাবিক কথা থেকে ব্যস্ত রাস্তার শব্দের মাত্রা, শোনার ন্যূনতম সীমা নয়।

এই প্রশ্নের উত্তর নিয়ে প্রকাশিত গাইডগুলোতে দ্বিমত আছে; এখানে সবচেয়ে প্রচলিত উত্তরটি দেওয়া হলো।

স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন

৩/৩
শব্দের মাত্রাউদাহরণ
০ থেকে ২৫ dBশ্রবণসীমা, স্বাভাবিক কানে
প্রায় ৬০ dBস্বাভাবিক কথাবার্তা
৮০ থেকে ৯০ dBব্যস্ত রাস্তার যানজট
প্রায় ১২০ dBকানে ব্যথার সীমা
  1. শ্রবণসীমা = শোনা যায় এমন সবচেয়ে মৃদু শব্দ।
  2. স্বাভাবিক কানে তা প্রায় ০ থেকে ২৫ ডেসিবেল।
  3. কথাবার্তা প্রায় ৬০ dB; ১২০ dB-এর কাছে কানে ব্যথা।
অন্য অপশনগুলো কেন ভুল

ক. 60-80 db: ৬০ থেকে ৮০ dB স্বাভাবিক কথাবার্তা থেকে ব্যস্ত রাস্তার শব্দ; শোনার ন্যূনতম সীমা নয়।

খ. 45-60 db: ৪৫ থেকে ৬০ dB নিচু থেকে স্বাভাবিক কথার মাত্রা; শ্রবণসীমা এর অনেক নিচে।

গ. 100-120 db: ১০০ থেকে ১২০ dB ক্ষতিকর জোরালো শব্দ, প্রায় ব্যথার সীমা।

শর্টকাট

শোনার সীমা খুবই নিচে: যে বিকল্প সবচেয়ে কম ডেসিবেল দিয়ে শুরু, সেটিই।

মনে রাখুন

ফিসফিস প্রায় ৩০, কথা ৬০, ব্যথা ১২০।

সাধারণ বিজ্ঞান: এ রকম আরও প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান-এর সব প্রশ্ন › · রূপালী ব্যাংক: সিনিয়র অফিসার (২০১৯)-এর পুরো প্রশ্নপত্র ›