নিচের কোনগুলো পরাশ্রয়ী বর্ণ?
সঠিক উত্তর
খং, ঃ
ব্যাখ্যা
যে বর্ণ নিজে স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হয় না, অন্য বর্ণের আশ্রয়ে উচ্চারিত হয়, তাকে পরাশ্রয়ী বর্ণ বলে। বাংলায় এমন বর্ণ তিনটি: অনুস্বার, বিসর্গ আর চন্দ্রবিন্দু।
অনুস্বার আর বিসর্গ সবসময় কোনো স্বর বা ব্যঞ্জনের পরে বসে। যেমন রং শব্দে ং বসেছে র এর পরে, আর দুঃখ শব্দে ঃ বসেছে দু এর পরে। চন্দ্রবিন্দু বসে বর্ণের মাথায়, যেমন চাঁদ।
এই তিনটি বর্ণ এককভাবে লিখে উচ্চারণ করা যায় না, আগে বা সাথে অন্য বর্ণ লাগে। এদের মধ্যে অনুস্বার আর বিসর্গকে অযোগবাহ বর্ণও বলা হয়।
ঙ আর ঞ নাসিক্য বর্ণ, এরা স্বাধীন ব্যঞ্জন। তাই নাসিক্যের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা এখানে প্রধান ফাঁদ।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| বর্ণ | নাম | উদাহরণ |
|---|---|---|
| ং | অনুস্বার | রং |
| ঃ | বিসর্গ | দুঃখ |
| ঁ | চন্দ্রবিন্দু | চাঁদ |
- পরাশ্রয়ী মানে অন্যের আশ্রয়ে উচ্চারিত।
- অনুস্বার ং আর বিসর্গ ঃ সবসময় অন্য বর্ণের পরে বসে।
- চন্দ্রবিন্দু ঁ বসে বর্ণের মাথায়; এই তিনটিই পরাশ্রয়ী।
ক. ঙ,ঞ: ঙ ও ঞ নাসিক্য বর্ণ, স্বাধীনভাবে উচ্চারিত ব্যঞ্জন; পরাশ্রয়ী নয়।
গ. শ,ঘ: শ উষ্মবর্ণ আর ঘ মহাপ্রাণ স্পর্শবর্ণ; দুটোই স্বাধীন ব্যঞ্জন।
ঘ. র, ঢ়: র কম্পনজাত আর ঢ় তাড়নজাত ব্যঞ্জন; এরা পরাশ্রয়ী নয়।
পরাশ্রয়ী তিন বর্ণ: ং ঃ ঁ। এরা কখনো শব্দের শুরুতে একা বসে না।
অন্যের ঘাড়ে চড়ে চলে: অনুস্বার, বিসর্গ, চন্দ্রবিন্দু।