“আমরা আলোচনা করে ঠিক করেছি, যাই হোক না কেন, আমরা অনশন ভাঙব না। যদি এই পথেই মৃত্যু এসে থাকে তবে তাই হবে।” উক্তিগুলো কার রচিত?
সঠিক উত্তর
গবঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর
ব্যাখ্যা
উক্তিটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত আত্মজীবনী গ্রন্থ থেকে নেওয়া। এটি ২০১২ সালে প্রকাশিত হয়।
১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাজবন্দি বঙ্গবন্ধু ও মহিউদ্দিন আহমেদ মুক্তির দাবিতে অনশনের সিদ্ধান্ত নেন। অনশন শুরুর আগেই তাঁদের ঢাকা থেকে ফরিদপুর জেলে সরিয়ে নেওয়া হয়, আর সেখানেই অনশন চলে। মৃত্যুর ঝুঁকি জেনেও অনশন না ভাঙার এই দৃঢ় সিদ্ধান্তের কথা বইটিতে লেখা আছে।
এখানেই ফাঁদ: মহিউদ্দিন আহমেদ অনশনের সঙ্গী ছিলেন, তাই তাঁর নাম দেখে অনেকে বিভ্রান্ত হন। কিন্তু উক্তিগুলো লেখা বঙ্গবন্ধুর কলমে। বঙ্গবন্ধুর অন্য দুটি বই কারাগারের রোজনামচা ও আমার দেখা নয়াচীন।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| বঙ্গবন্ধুর গ্রন্থ | প্রকাশ |
|---|---|
| অসমাপ্ত আত্মজীবনী | ২০১২ |
| কারাগারের রোজনামচা | ২০১৭ |
| আমার দেখা নয়াচীন | ২০২০ |
| অনশনসঙ্গী: মহিউদ্দিন আহমেদ | ১৯৫২ |
- উক্তির প্রসঙ্গ: ১৯৫২ সালে জেলে মুক্তির দাবিতে অনশন।
- অনশনে ছিলেন বঙ্গবন্ধু ও তাঁর সঙ্গী মহিউদ্দিন আহমেদ।
- ঘটনাটি লিখেছেন বঙ্গবন্ধু, অসমাপ্ত আত্মজীবনী গ্রন্থে।
ক. কাজী নজরুল ইসলাম: কাজী নজরুল ইসলামও কারাগারে অনশন করেছিলেন (১৯২৩), কিন্তু এই উক্তি তাঁর নয়।
খ. আবদুর রশিদ তর্কবাগীশ: আবদুর রশিদ তর্কবাগীশ ভাষা আন্দোলনের নেতা, এই গ্রন্থের লেখক নন।
ঘ. মহিউদ্দিন আহমেদ: মহিউদ্দিন আহমেদ অনশনের সঙ্গী ছিলেন, লেখক নন; এটাই প্রধান ফাঁদ।
‘অনশন’, ‘জেল’, ‘১৯৫২’, ‘আমরা ঠিক করেছি’: অসমাপ্ত আত্মজীবনী।
অনশনের সঙ্গী মহিউদ্দিন, কলম বঙ্গবন্ধুর।