’রূপার চেয়ে সোনার দাম বেশি’। স্ফীত হরফের শব্দটিতে কারকের দৃষ্টান্ত-
সঠিক উত্তর
খকর্তৃ
ব্যাখ্যা
কারক খুঁজতে হলে আগে বাক্যের ক্রিয়া খুঁজতে হয়, তারপর ক্রিয়াকে প্রশ্ন করতে হয়। এই বাক্যে ক্রিয়া উহ্য আছে: পূর্ণ রূপ হলো সোনার দাম রূপার চেয়ে বেশি হয়।
কী বেশি হয়? উত্তর দাম। ক্রিয়াটা যে সম্পন্ন করে বা যার সম্পর্কে বলা হয়, সে কর্তা; তাই দাম শব্দটি কর্তৃকারক, শূন্য বিভক্তি।
বাক্যের অন্য পদগুলো আলাদা ভূমিকায় আছে। সোনার শব্দটি দামের সঙ্গে সম্পর্ক বোঝায়, তাই এটি সম্বন্ধ পদ; সম্বন্ধ পদ কারক নয়। রূপার চেয়ে অংশটি তুলনা বোঝায়।
ফাঁদ হলো কর্ম। এখানে কোনো সকর্মক ক্রিয়া নেই, কাউকে কিছু করা হচ্ছে না, তাই কর্মকারক আসার সুযোগ নেই।
এই প্রশ্নের উত্তর নিয়ে প্রকাশিত গাইডগুলোতে দ্বিমত আছে; এখানে সবচেয়ে প্রচলিত উত্তরটি দেওয়া হলো।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪| পদ | ভূমিকা |
|---|---|
| হয় (উহ্য) | ক্রিয়া |
| দাম | কর্তৃকারক, শূন্য বিভক্তি |
| সোনার | সম্বন্ধ পদ (কারক নয়) |
| রূপার চেয়ে | তুলনা বোঝায় |
- উহ্য ক্রিয়া বসাই: সোনার দাম রূপার চেয়ে বেশি হয়।
- প্রশ্ন করি: কী বেশি হয়? উত্তর: দাম।
- যার সম্পর্কে ক্রিয়া বলা হয় সে কর্তা: দাম কর্তৃকারক।
- সোনার সম্বন্ধ পদ; রূপার চেয়ে তুলনা বোঝায়।
ক. কর্ম: বাক্যে কোনো সকর্মক ক্রিয়া নেই, তাই কর্মকারক হয় না; এটাই মূল ফাঁদ।
গ. করণ: করণ মানে যা দিয়ে কাজ করা হয়; এখানে কোনো উপকরণ নেই।
ঘ. অধিকরণ: অধিকরণ মানে স্থান, কাল বা বিষয়; এখানে তেমন কিছু নেই।
উহ্য ক্রিয়া বসিয়ে কে বা কী দিয়ে প্রশ্ন করুন; যে উত্তর আসে সেটাই কর্তা।
কে বা কী করে, কী হয়: কর্তা; কাকে বা কী করে: কর্ম।