’ব্যঞ্জনা’ শব্দে ’ন’ স্বাভাবিক উচ্চারণ স্থান পাল্টে হয়-
সঠিক উত্তর
কদন্তমূলীয়
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি ধ্বনির উচ্চারণ স্থান নিয়ে। ব্যঞ্জনা শব্দে নাসিক্য ধ্বনিটি লেখা হয় ঞ দিয়ে, যা বর্ণমালায় চ-বর্গের বা তালব্য বর্ণ। প্রশ্নে এই নাসিক্য ধ্বনিটিকেই ন বলা হয়েছে।
কিন্তু প্রমিত বাংলা উচ্চারণে চ, ছ, জ, ঝ এর আগে যুক্ত ঞ আসলে উচ্চারিত হয় ন এর মতো। তাই ব্যঞ্জনা উচ্চারণ হয় ব্যান্জোনা ধরনের। অঞ্চল, অঞ্জন, পঞ্চম শব্দেও একই ঘটনা।
বাংলায় ন এর উচ্চারণ স্থান দন্তমূল, অর্থাৎ ওপরের দাঁতের গোড়া। লেখায় তালব্য ঞ থাকলেও উচ্চারণ স্থান পাল্টে দন্তমূলীয় হয়ে যায়, তাই উত্তর দন্তমূলীয়।
তালব্য বিকল্পটি ফাঁদ: লেখা ঞ তালব্য বর্ণ বলে অনেকে তালব্য বেছে নেন, কিন্তু প্রশ্ন জানতে চেয়েছে বদলে যাওয়া উচ্চারণ স্থান।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩চ-বর্গের আগে ঞ → ন এর মতো দন্তমূলীয় উচ্চারণ (অঞ্চল, অঞ্জন, পঞ্চম)
- ব্যঞ্জনা শব্দে লেখা আছে ঞ্জ, অর্থাৎ ঞ + জ।
- ঞ বর্ণমালায় তালব্য, কিন্তু উচ্চারণে ন এর মতো শোনায়।
- ন এর উচ্চারণ স্থান দন্তমূল: তাই দন্তমূলীয়।
খ. প্রতিবেষ্টিত: প্রতিবেষ্টিত বা মূর্ধন্য উচ্চারণ হয় ট-বর্গে, যেমন ণ্ড; ব্যঞ্জনায় নয়।
গ. তালব্য: তালব্য হলো লেখা ঞ এর মূল স্থান; প্রশ্ন জানতে চায় পাল্টে যাওয়া উচ্চারণ।
ঘ. জিহ্বমূলীয়: জিহ্বামূলীয় বা কণ্ঠ্য উচ্চারণ ক-বর্গের, যেমন ঙ; এখানে খাটে না।
ঞ্চ, ঞ্জ যুক্তবর্ণে ঞ পড়া হয় ন এর মতো, অর্থাৎ দন্তমূলীয়।
ঞ লেখায় তালব্য, মুখে দন্তমূলীয় ন।