সৈয়দ শামসুল হকের ‘নূরলদীনের সারাজীবন’ কাব্যনাট্যে ‘নিলক্ষার নীল’ পদবন্ধটি প্রকাশ করেছে-
সঠিক উত্তর
খদৃষ্টিসীমা অতিক্রমী আকাশ
ব্যাখ্যা
নূরলদীনের সারাজীবন সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যনাট্য, প্রকাশ ১৯৮২ সালে। এর বিষয় ১৭৮২-৮৩ সালে রংপুরে ইংরেজ ও তাদের দোসরদের বিরুদ্ধে কৃষক নেতা নূরলদীনের বিদ্রোহ।
নাটকের শুরুতেই আকাশের বর্ণনায় আসে নিলক্ষা আকাশ নীল কথাটি। রংপুর অঞ্চলের ভাষায় নিলক্ষা মানে এমন বিস্তার যার শেষ চোখে ধরা যায় না। তাই নিলক্ষার নীল বলতে বোঝায় দৃষ্টিসীমা ছাড়িয়ে যাওয়া বিশাল নীল আকাশ।
সৈয়দ শামসুল হক এই নাটকে আঞ্চলিক শব্দ ব্যবহার করে কৃষকের জীবন জীবন্ত করেছেন। তাঁর আরেক বিখ্যাত কাব্যনাট্য পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়।
পরের লাইনে তারার কথা আসে বলে অনন্ত নক্ষত্রবীথি অপশনটি টানে, আর নীল শব্দের কারণে নীল জোৎস্না; কিন্তু নিলক্ষা শব্দের মূল ভাব হলো সীমাহীন বিস্তার।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩নূরলদীনের সারাজীবন (১৯৮২): রংপুরের কৃষক বিদ্রোহ, ১৭৮২-৮৩
- নূরলদীনের সারাজীবন: রংপুরের কৃষক বিদ্রোহের কাব্যনাট্য।
- নিলক্ষা আঞ্চলিক শব্দ: যার শেষ দেখা যায় না।
- নিলক্ষার নীল = দৃষ্টিসীমা ছাড়ানো নীল আকাশ।
ক. অনন্ত নক্ষত্রবীথি: তারার কথা পরের লাইনে আসে, কিন্তু নিলক্ষার নীল আকাশের বিস্তার বোঝায়, নক্ষত্রবীথি নয়।
গ. বিষাক্ত পৃথিবী: বিষাক্ত পৃথিবীর সঙ্গে নিলক্ষা শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই।
ঘ. নীল জোৎস্না: নীল শব্দ দেখে নীল জোৎস্না টানে, কিন্তু এটি আকাশের বর্ণনা, জোৎস্নার নয়।
নূরলদীন = সৈয়দ শামসুল হক, কাব্যনাট্য, রংপুরের কৃষক বিদ্রোহ (১৭৮২-৮৩), প্রকাশ ১৯৮২।
নিলক্ষা মানে চোখ যেখানে থামে না।