Most of the tea plantation workers speak in -
সঠিক উত্তর
খOraon
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের চা-বাগানের শ্রমিকদের বড় অংশের পূর্বপুরুষদের ব্রিটিশ আমলে ভারতের ছোটনাগপুর, বিহার, ওড়িশা ইত্যাদি অঞ্চল থেকে আনা হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে ওরাওঁ, মুন্ডা, সাঁওতাল, ভূমিজসহ নানা জাতিগোষ্ঠী আছে।
অপশনগুলোর মধ্যে চা-বাগানের শ্রমিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে যুক্ত একমাত্র নাম ওরাওঁ। ওরাওঁদের নিজস্ব ভাষার নাম কুড়ুখ, যা দ্রাবিড় ভাষা পরিবারের।
তবে বাগানগুলোতে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে যোগাযোগের সাধারণ ভাষা হিসেবে সবচেয়ে বেশি চলে সাদরি, যাকে নাগপুরিও বলে। সাদরি অপশনে না থাকায় উত্তর ওরাওঁ।
বাকি তিনটি নাম পার্বত্য অঞ্চলের জাতিগোষ্ঠীর: কুকি ও চাক বান্দরবানসহ পার্বত্য চট্টগ্রামে, আর ত্রিপুরাদের ভাষা ককবরক। এরা চা-বাগানের শ্রমিক সম্প্রদায়ের অংশ নয়।
এই প্রশ্নের উত্তর নিয়ে প্রকাশিত গাইডগুলোতে দ্বিমত আছে; এখানে সবচেয়ে প্রচলিত উত্তরটি দেওয়া হলো।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| নাম | কোথায়, কোন ভাষা |
|---|---|
| ওরাওঁ | চা-বাগান ও উত্তরবঙ্গ; ভাষা কুড়ুখ |
| সাদরি | চা-বাগানের যোগাযোগের সাধারণ ভাষা |
| কুকি, চাক | পার্বত্য চট্টগ্রাম |
| ত্রিপুরা (টিপরা) | পার্বত্য অঞ্চল; ভাষা ককবরক |
- চা-শ্রমিকদের পূর্বপুরুষ এসেছিলেন ভারতের ছোটনাগপুর ও আশপাশ থেকে।
- তাঁদের মধ্যে আছে ওরাওঁ, মুন্ডা, সাঁওতাল; ওরাওঁদের ভাষা কুড়ুখ।
- কুকি, চাক, ত্রিপুরা পার্বত্য অঞ্চলের, চা-বাগানের নয়।
ক. Kuki: কুকিরা পার্বত্য চট্টগ্রামের জাতিগোষ্ঠী; চা-শ্রমিকদের ভাষা নয়।
গ. Tipra: টিপরা বা ত্রিপুরাদের ভাষা ককবরক; তাঁরা চা-বাগানের শ্রমিক সম্প্রদায়ের অংশ নন।
ঘ. Chak: চাকরা বান্দরবানের ছোট একটি জাতিগোষ্ঠী; চা-বাগানের সঙ্গে সম্পর্ক নেই।
চা-বাগান মানে ছোটনাগপুর থেকে আসা জনগোষ্ঠী: ওরাওঁ, মুন্ডা, সাঁওতাল; পাহাড়ের জাতিগোষ্ঠীর নাম বাদ দিন।
চা-বাগানে ওরাওঁ, পাহাড়ে কুকি-চাক-ত্রিপুরা।