Indian government has awarded 'Padma Bhushan Award -2020' to the senior diplomat of Bangladesh
সঠিক উত্তর
গSyed Muazzem Ali
ব্যাখ্যা
পদ্মভূষণ ভারতের তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা, ভারতরত্ন ও পদ্মবিভূষণের পরে। ২০২০ সালে বাংলাদেশের প্রবীণ কূটনীতিক সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলীকে মরণোত্তর এই সম্মাননা দেওয়া হয়।
সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী ২০১৪ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার ছিলেন, আর এর আগে পররাষ্ট্রসচিব। তাঁর দায়িত্বকালেই ২০১৫ সালে দুই দেশের স্থলসীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়িত হয়, আর সম্পর্ক জোরদারে তাঁর ভূমিকার স্বীকৃতিই এই সম্মাননা। তিনি ২০১৯ সালে মারা যান, তাই পুরস্কারটি মরণোত্তর।
ভারত সরকার প্রতি বছর প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে, জানুয়ারিতে, পদ্ম পুরস্কারের তালিকা ঘোষণা করে; ২০২০ সালের তালিকায় তাঁর নাম ছিল জনসেবা শ্রেণিতে।
ফাঁদ এম হোসেন আলী। তিনিও মুক্তিযুদ্ধের সময়ের পরিচিত কূটনীতিক, কলকাতায় পাকিস্তানের উপহাইকমিশন থেকে প্রথম বাংলাদেশের পক্ষে আনুগত্য ঘোষণা করেন; কিন্তু পদ্মভূষণ ২০২০ পান মোয়াজ্জেম আলী।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| কূটনীতিক | পরিচিতি |
|---|---|
| এম হোসেন আলী | ১৯৭১ সালে কলকাতা মিশন বাংলাদেশের পক্ষে |
| হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী | জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি (১৯৮৬) |
| সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী | পদ্মভূষণ ২০২০ (মরণোত্তর) |
| পদ | ভারতে হাইকমিশনার, পররাষ্ট্রসচিব |
- পদ্মভূষণ: ভারতের তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা।
- ২০২০ সালে বাংলাদেশের কূটনীতিক সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলীকে মরণোত্তর দেওয়া হয়।
- তিনি ভারতে হাইকমিশনার (২০১৪-২০১৮) ও পররাষ্ট্রসচিব ছিলেন।
ক. M Hossain Ali: এম হোসেন আলী ১৯৭১ সালে কলকাতা মিশনকে বাংলাদেশের পক্ষে ঘোষণা করেন; পদ্মভূষণ ২০২০ তিনি পাননি।
খ. Humayun Rasheed Choudhury: হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি ও স্পিকার ছিলেন; এই পুরস্কার তাঁর নয়।
ঘ. Fakhruddin Ahmed: ফখরুদ্দীন আহমদ নামে কেউ ২০২০ সালে পদ্মভূষণ পাননি।
ভারতের পদ্মভূষণ পাওয়া বাংলাদেশি কূটনীতিক = সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী, ভারতে সাবেক হাইকমিশনার।
দিল্লির হাইকমিশনার মোয়াজ্জেম, পেলেন পদ্মভূষণ।