কোনটি ভাববাচক বিশেষ্য নয়?
সঠিক উত্তর
গসৌন্দর্য
ব্যাখ্যা
ভাববাচক বিশেষ্য বোঝায় কোনো কাজের ভাব বা ক্রিয়ার নাম, যেমন গমন, ভোজন, দর্শন, শয়ন, চলন, করা। এগুলো ধাতু থেকে তৈরি, আর কাজটা করার অবস্থাকে নাম হিসেবে প্রকাশ করে।
অন্যদিকে গুণবাচক বিশেষ্য বোঝায় কোনো বস্তু বা ব্যক্তির গুণ বা দোষের নাম, যেমন সৌন্দর্য, মধুরতা, তারুণ্য, সততা। সুন্দর হলো বিশেষণ, আর তার গুণের নাম সৌন্দর্য। তাই সৌন্দর্য বিশেষ্য ঠিকই, কিন্তু ভাববাচক নয়, গুণবাচক।
দর্শন শব্দটি দৃশ্ ধাতু থেকে এসেছে, মানে দেখার কাজ; তাই এটি খাঁটি ভাববাচক বিশেষ্য। প্রশ্নকর্তা এখানে ভাববাচক আর গুণবাচক বিশেষ্যের পার্থক্যই যাচাই করতে চেয়েছেন।
তবে সতর্ক থাকুন, ছাপানো অপশনে চলন্ত হলো বিশেষণ আর করবে হলো ক্রিয়াপদ; এ দুটোও ভাববাচক বিশেষ্য নয়। চলন বা করা হলে সেগুলো ভাববাচক বিশেষ্য হতো। বিশেষ্যগুলোর মধ্যে যেটি ভাববাচক নয়, সেটি সৌন্দর্য, তাই উত্তর সৌন্দর্য।
এই প্রশ্নের উত্তর নিয়ে প্রকাশিত গাইডগুলোতে দ্বিমত আছে; এখানে সবচেয়ে প্রচলিত উত্তরটি দেওয়া হলো।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪| শব্দ | পদ / প্রকার |
|---|---|
| দর্শন | ভাববাচক বিশেষ্য (দৃশ্ ধাতু) |
| সৌন্দর্য | গুণবাচক বিশেষ্য (সুন্দর থেকে) |
| চলন্ত | বিশেষণ (চলন হলে ভাববাচক বিশেষ্য) |
| করবে | ক্রিয়াপদ (করা হলে ভাববাচক বিশেষ্য) |
| উত্তর | সৌন্দর্য |
- ভাববাচক বিশেষ্য = ক্রিয়ার ভাব বা কাজের নাম: দর্শন, গমন, ভোজন।
- গুণবাচক বিশেষ্য = গুণের নাম: সুন্দর থেকে সৌন্দর্য।
- চলন্ত বিশেষণ, করবে ক্রিয়া; এগুলো বিশেষ্যই নয়।
- বিশেষ্যের মধ্যে যেটি ভাববাচক নয়: সৌন্দর্য।
ক. চলন্ত: চলন্ত বিশেষণ, বিশেষ্য নয়; প্রশ্নকর্তা সম্ভবত চলন (ভাববাচক বিশেষ্য) বোঝাতে চেয়েছেন।
খ. দর্শন: দর্শন দৃশ্ ধাতু থেকে আসা দেখার কাজের নাম, তাই খাঁটি ভাববাচক বিশেষ্য।
ঘ. করবে: করবে ক্রিয়াপদ; করা হলে তা ভাববাচক বিশেষ্য হতো।
ধাতু থেকে কাজের নাম হলে ভাববাচক (গমন, শয়ন); বিশেষণ থেকে গুণের নাম হলে গুণবাচক (সৌন্দর্য, তারুণ্য, মধুরতা)।
কাজের নাম ভাববাচক, গুণের নাম গুণবাচক।