Which of the following country refused to sign the Bali Declaration over Rohingya issue?
সঠিক উত্তর
ঘIndia
ব্যাখ্যা
বালি ঘোষণা হলো ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে ইন্দোনেশিয়ার বালিতে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড পার্লামেন্টারি ফোরাম অন সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্টের ঘোষণাপত্র। এতে মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গাদের উপর সহিংসতার প্রসঙ্গ যুক্ত হয়েছিল।
ভারত এই ঘোষণায় সই না করে নিজেকে সরিয়ে নেয়। ভারতের যুক্তি ছিল, ঘোষণায় রাখাইন পরিস্থিতির বর্ণনা ভারসাম্যপূর্ণ নয় এবং টেকসই উন্নয়নের মূল বিষয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। সময়টা ছিল রোহিঙ্গাদের বড় ঢলের শুরুতে, যখন লাখ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিচ্ছিল।
বাংলাদেশ রোহিঙ্গা সংকটে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ, তাই সই না করার প্রশ্নই ওঠে না। ইন্দোনেশিয়া নিজেই ফোরামের আয়োজক ছিল। চীন অপশনটি ফাঁদ, কারণ চীন জাতিসংঘে মিয়ানমারের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার জন্য পরিচিত; কিন্তু বালি ঘোষণা প্রত্যাখ্যানের খবরটি ভারতের।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| দেশ | বালি ঘোষণায় ভূমিকা |
|---|---|
| ইন্দোনেশিয়া | আয়োজক দেশ |
| বাংলাদেশ | রোহিঙ্গা আশ্রয়দাতা, ভুক্তভোগী |
| ভারত | সই করেনি |
- সেপ্টেম্বর ২০১৭: বালিতে টেকসই উন্নয়নবিষয়ক বিশ্ব সংসদীয় ফোরাম।
- ঘোষণায় রাখাইনে রোহিঙ্গাদের উপর সহিংসতার উল্লেখ।
- ঘোষণা ভারসাম্যপূর্ণ নয় বলে ভারত সই করেনি।
ক. Bangladesh: বাংলাদেশ রোহিঙ্গা সংকটের ভুক্তভোগী; রোহিঙ্গাদের পক্ষের ঘোষণা প্রত্যাখ্যানের কারণ নেই।
খ. Indonesia: ইন্দোনেশিয়া ছিল ফোরামের আয়োজক দেশ।
গ. China: চীন মিয়ানমারের পক্ষে অবস্থানের জন্য পরিচিত বলে ফাঁদ; বালি ঘোষণায় সই না করার খবর ভারতের।
বালি ঘোষণা ২০১৭: আয়োজক ইন্দোনেশিয়া, সই করেনি ভারত।
বালিতে ভারত বলল না।