মৃত্যুঞ্জয়’ শব্দটির সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
সঠিক উত্তর
খমৃত্যুম্+জয়
ব্যাখ্যা
মৃত্যুঞ্জয় শব্দটি ব্যঞ্জনসন্ধির উদাহরণ। এর বিচ্ছেদ মৃত্যুম্ যোগ জয়।
নিয়মটি হলো: ম্ এর পরে কোনো বর্গীয় ব্যঞ্জন, মানে ক থেকে ম পর্যন্ত কোনো বর্ণ এলে, ম্ বদলে যায় পরের বর্ণটির বর্গের পঞ্চম বর্ণে, মানে সেই বর্গের নাসিক্য বর্ণে। জ হলো চ-বর্গের বর্ণ, আর চ-বর্গের পঞ্চম বর্ণ ঞ। তাই ম্ হয়ে যায় ঞ্, আর জ এর সঙ্গে মিলে হয় ঞ্জ।
একই নিয়মে সম্ যোগ চয় হয় সঞ্চয়, শম্ যোগ কর হয় শঙ্কর, সম্ যোগ তাপ হয় সন্তাপ, আর ধনম্ যোগ জয় হয় ধনঞ্জয়।
মৃত্যুঃ যোগ জয় অপশনটি বিসর্গসন্ধির মতো দেখায় বলে ফাঁদ; কিন্তু বিসর্গ থেকে কখনো ঞ তৈরি হয় না। ঞ্জ দেখলেই বুঝবেন পেছনে ম্ আছে।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪ম্ + বর্গীয় বর্ণ → সেই বর্গের নাসিক্য: সঞ্চয়, শঙ্কর, সন্তাপ
- মৃত্যুঞ্জয় শব্দে যুক্তবর্ণ ঞ্জ লক্ষ করি।
- ঞ্জ ভাঙলে পাই ঞ্ আর জ।
- ম্ এর পরে চ-বর্গের জ এলে ম্ হয় ঞ্।
- তাই মৃত্যুম্ + জয় = মৃত্যুঞ্জয়।
ক. মৃতঃ+জয়: মৃতঃ শব্দে মূল শব্দ মৃত্যু হারিয়ে গেছে, আর বিসর্গ থেকে ঞ হয় না।
গ. মৃত্যুঃ+জয়: বিসর্গসন্ধির মতো দেখায়, কিন্তু বিসর্গ থেকে ঞ্জ তৈরি হয় না; এটাই প্রধান ফাঁদ।
ঘ. মৃত+ জয়: মৃত যোগ জয় হলে হতো মৃতজয়; ঞ কোথা থেকে এল তার ব্যাখ্যা নেই।
যুক্তবর্ণে ঙ্ক, ঞ্চ, ঞ্জ, ন্ত দেখলে বিচ্ছেদে প্রথম পদ সাধারণত ম্ দিয়ে শেষ হয়: শম্+কর, সম্+চয়, ধনম্+জয়।
ঞ্জ দেখলেই পেছনে ম্।