‘দুঃখ’ কোন প্রকার বিশেষ্য পদ?
সঠিক উত্তর
খগুণবাচক
ব্যাখ্যা
বিশেষ্য পদের ছয়টি ভাগ: সংজ্ঞাবাচক, জাতিবাচক, বস্তুবাচক, সমষ্টিবাচক, ভাববাচক ও গুণবাচক। প্রশ্নটি জানতে চায় দুঃখ শব্দটি কোন ভাগে পড়ে।
যে বিশেষ্য কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর দোষ, গুণ বা অবস্থার নাম বোঝায়, তা গুণবাচক বিশেষ্য। সুখ, দুঃখ, সততা, তারুণ্য, মধুরতা এগুলো মনের বা বস্তুর অবস্থা ও গুণের নাম, তাই গুণবাচক।
ভাববাচক বিশেষ্য বোঝায় কোনো ক্রিয়ার ভাব বা কাজের নাম, যেমন গমন, দর্শন, ভোজন, শয়ন। এগুলো মূলত কাজ থেকে আসে; যাওয়া থেকে গমন, দেখা থেকে দর্শন।
দুঃখ কোনো কাজের নাম নয়, একটি অবস্থার নাম; তাই এটি ভাববাচক নয়। অনুভূতি শুনেই অনেকে ভাববাচক ধরে ফেলেন, এটাই এখানে ফাঁদ।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| প্রকার | কী বোঝায় | উদাহরণ |
|---|---|---|
| সংজ্ঞাবাচক | নির্দিষ্ট নাম | ঢাকা, নজরুল |
| জাতিবাচক | এক জাতির সব | মানুষ, নদী |
| ভাববাচক | ক্রিয়ার ভাব | গমন, ভোজন |
| গুণবাচক | দোষ-গুণ-অবস্থা | সুখ, দুঃখ, সততা |
- বিশেষ্যের ছয় ভাগ মনে করি।
- ভাববাচক = ক্রিয়ার ভাব: গমন, ভোজন, দর্শন।
- দুঃখ কাজ নয়, অবস্থা বা দোষ-গুণের নাম: গুণবাচক।
ক. সংজ্ঞাবাচক: সংজ্ঞাবাচক হলো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, স্থান বা বস্তুর নাম, যেমন ঢাকা বা নজরুল।
গ. ভাববাচক: ভাববাচক বিশেষ্য ক্রিয়ার ভাব বোঝায়, যেমন গমন, ভোজন; দুঃখ কোনো কাজের নাম নয়।
ঘ. জাতিবাচক: জাতিবাচক বোঝায় একই জাতের সব প্রাণী বা বস্তু, যেমন মানুষ, গরু, নদী।
শব্দটি কোনো কাজ থেকে এসেছে কি না দেখুন। কাজের নাম হলে ভাববাচক (গমন, শয়ন), দোষ-গুণ-অবস্থা হলে গুণবাচক (সুখ, দুঃখ, সৌন্দর্য)।
কাজের নাম ভাববাচক, দোষ-গুণ-অবস্থার নাম গুণবাচক।