বাংলাদেশের কোন স্মৃতি বিজড়িত এলাকায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জমিদারির জন্য ঘুরে বেড়ান?
সঠিক উত্তর
ককালিগ্রাম
ব্যাখ্যা
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পারিবারিক জমিদারি দেখাশোনার জন্য বর্তমান বাংলাদেশের তিনটি অঞ্চলে দীর্ঘ সময় কাটান: কুষ্টিয়ার শিলাইদহ, সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর আর নওগাঁর পতিসর।
পতিসর ছিল কালীগ্রাম পরগনার সদর কাছারি। তাই বিকল্পের কালিগ্রাম রবীন্দ্রনাথের জমিদারির স্মৃতিবিজড়িত এলাকা।
পতিসরে তিনি কৃষকদের জন্য কৃষি ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেন এবং নোবেল পুরস্কারের অর্থের একটি অংশ সেখানে দেন। জমিদারির এই সময়েই গল্পগুচ্ছের অনেক গল্প ও ছিন্নপত্রের চিঠি লেখা।
সখিপুর টাঙ্গাইলের একটি উপজেলা, আর বাকি দুটি নামও রবীন্দ্রনাথের জমিদারির সঙ্গে যুক্ত নয়।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| স্থান | বর্তমান জেলা | স্মৃতি |
|---|---|---|
| শিলাইদহ | কুষ্টিয়া | কুঠিবাড়ি, পদ্মাপারে |
| শাহজাদপুর | সিরাজগঞ্জ | কাছারিবাড়ি |
| পতিসর (কালীগ্রাম পরগনা) | নওগাঁ | কাছারিবাড়ি |
| পতিসর | নওগাঁ | কৃষি ব্যাংক প্রতিষ্ঠা |
- রবীন্দ্রনাথের জমিদারি: শিলাইদহ, শাহজাদপুর, পতিসর।
- পতিসর ছিল কালীগ্রাম পরগনার সদর, নওগাঁয়।
- পতিসরে কৃষি ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেন।
খ. সখিপুর: সখিপুর টাঙ্গাইলের উপজেলা, রবীন্দ্রনাথের জমিদারির অংশ নয়।
গ. টুনির হাট: টুনির হাট রবীন্দ্রনাথের জমিদারির সঙ্গে যুক্ত নয়।
ঘ. ব্যারিস্টার বাজার: ব্যারিস্টার বাজার রবীন্দ্রনাথের জমিদারির সঙ্গে যুক্ত নয়।
রবীন্দ্রনাথের জমিদারি = শিলাইদহ, শাহজাদপুর, পতিসর (কালীগ্রাম)।
শি-শা-প: শিলাইদহ, শাহজাদপুর, পতিসর।