চর্যাপদ তিব্বতি ভাষায় কে অনুবাদ করেন?
সঠিক উত্তর
গকীর্তিচন্দ্ৰ
ব্যাখ্যা
চর্যাপদের তিব্বতি অনুবাদ করেন কীর্তিচন্দ্র। এই অনুবাদের সূত্র ধরেই পরে চর্যাপদের বেশ কিছু হারানো ও খণ্ডিত পদের পাঠ পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
মূল ঘটনাগুলো এভাবে: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে চর্যাপদের পুঁথি আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে প্রকাশ করেন। মুনিদত্ত পদগুলোর সংস্কৃত টীকা লেখেন।
আর প্রবোধচন্দ্র বাগচী ১৯৩৮ সালে চর্যাপদের তিব্বতি অনুবাদটি আবিষ্কার ও প্রকাশ করেন। অর্থাৎ বাগচী অনুবাদটি খুঁজে পান, কিন্তু অনুবাদক কীর্তিচন্দ্র।
এখানে প্রধান ফাঁদ প্রবোধচন্দ্র বাগচী, কারণ তাঁর নাম তিব্বতি অনুবাদের সঙ্গে জড়িত; আরেক ফাঁদ মুনিদত্ত, যিনি অনুবাদ নয়, টীকা লিখেছেন।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪| ব্যক্তি | চর্যাপদের সঙ্গে সম্পর্ক |
|---|---|
| হরপ্রসাদ শাস্ত্রী | আবিষ্কারক (১৯০৭, নেপাল) |
| মুনিদত্ত | সংস্কৃত টীকাকার |
| কীর্তিচন্দ্র | তিব্বতি অনুবাদক |
| প্রবোধচন্দ্র বাগচী | তিব্বতি অনুবাদের আবিষ্কারক (১৯৩৮) |
- হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন।
- মুনিদত্ত পদগুলোর সংস্কৃত টীকা লেখেন।
- কীর্তিচন্দ্র তিব্বতি ভাষায় অনুবাদ করেন।
- প্রবোধচন্দ্র বাগচী ১৯৩৮ সালে সেই অনুবাদ আবিষ্কার করেন।
ক. মুনিদত্ত: মুনিদত্ত সংস্কৃত টীকা লিখেছিলেন, তিব্বতি অনুবাদ নয়।
খ. প্রবোধচন্দ্র বাগচী: প্রবোধচন্দ্র বাগচী তিব্বতি অনুবাদটি আবিষ্কার করেন, নিজে অনুবাদ করেননি; এটাই প্রধান ফাঁদ।
ঘ. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী মূল পুঁথির আবিষ্কারক ও সম্পাদক।
আবিষ্কার শাস্ত্রী, টীকা মুনিদত্ত, অনুবাদ কীর্তিচন্দ্র, অনুবাদের খোঁজ বাগচী।
কীর্তি করলেন অনুবাদ, বাগচী পেলেন খোঁজ।