‘শনিবারের চিঠি' কি ধরনের সাহিত্য পত্রিকা?
সঠিক উত্তর
গহাস্যরসাত্মক
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা জানতে চাইছে বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা শনিবারের চিঠির চরিত্র কেমন ছিল। শনিবারের চিঠি ছিল ব্যঙ্গ ও হাস্যরসের পত্রিকা, যার প্রধান সম্পাদক হিসেবে পরিচিত সজনীকান্ত দাস।
পত্রিকাটি শুরুতে সাপ্তাহিক ছিল, পরে মাসিক হয়। এর মূল অস্ত্র ছিল ব্যঙ্গ, প্যারোডি আর বিদ্রূপ। সমকালীন লেখকদের, বিশেষ করে কল্লোল গোষ্ঠীর তরুণ লেখক ও কাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে এতে প্রচুর ব্যঙ্গরচনা ছাপা হতো।
তাই বিকল্পগুলোর মধ্যে হাস্যরসাত্মক শব্দটিই এর স্বভাবের সবচেয়ে কাছে। ব্যঙ্গ মানেই হাসির মোড়কে সমালোচনা।
ফাঁদ হলো মন্তব্যধর্মী বিকল্প। পত্রিকাটি সমালোচনা করত ঠিকই, কিন্তু সেটা সাধারণ মন্তব্য নয়, হাসি আর বিদ্রূপের ভঙ্গিতে।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪| পত্রিকা | সম্পাদক | বৈশিষ্ট্য |
|---|---|---|
| শনিবারের চিঠি | সজনীকান্ত দাস | ব্যঙ্গ ও হাস্যরস |
| কল্লোল | দীনেশরঞ্জন দাশ | আধুনিক তরুণ লেখকদের মুখপত্র |
| ধূমকেতু | কাজী নজরুল ইসলাম | বিদ্রোহী রাজনৈতিক চেতনা |
| শনিবারের চিঠি | প্রথমে সাপ্তাহিক, পরে মাসিক | কল্লোল গোষ্ঠী ও নজরুলকে ব্যঙ্গ |
| উত্তর | হাস্যরসাত্মক | ব্যঙ্গ = হাসির মোড়কে সমালোচনা |
- প্রশ্ন: শনিবারের চিঠি কোন ধরনের পত্রিকা?
- এর সম্পাদক হিসেবে বিখ্যাত সজনীকান্ত দাস।
- পত্রিকার মূল ভঙ্গি ব্যঙ্গ, প্যারোডি ও বিদ্রূপ।
- তাই উত্তর: হাস্যরসাত্মক বা ব্যঙ্গাত্মক পত্রিকা।
ক. মন্তব্যধর্মী: সমালোচনা করত বলে মন্তব্যধর্মী মনে হতে পারে, কিন্তু এর ভঙ্গি ছিল ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ, সাধারণ মন্তব্য নয়।
খ. নীতিকথা: নীতিকথা বা উপদেশমূলক লেখা এই পত্রিকার পরিচয় নয়।
ঘ. তথ্য সমৃদ্ধ: তথ্য দেওয়া এর উদ্দেশ্য ছিল না; এটি সাহিত্যিক ব্যঙ্গপত্রিকা।
পত্রিকার নামে চিঠি থাকলেও এর পরিচয় ব্যঙ্গ: শনিবারের চিঠি = সজনীকান্ত দাস = হাস্যরস ও বিদ্রূপ।
শনিবারের চিঠি এলে, হাসির রোল পড়ে।