বিরাম চিহ্ন কেন ব্যবহৃত হয়?
সঠিক উত্তর
খবাক্যের অর্থ স্পষ্টকরণের জন্য
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা বিরামচিহ্ন বা যতিচিহ্নের মূল উদ্দেশ্য নিয়ে। বিরামচিহ্ন ব্যবহার করা হয় বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করতে, আর পড়ার সময় কোথায় কতক্ষণ থামতে হবে তা বোঝাতে।
একটি কমার জায়গা বদলালেই অর্থ উল্টে যেতে পারে। যেমন “এখানে প্রস্রাব করবেন না, করলে জরিমানা” মানে কাজটি নিষেধ; আর “এখানে প্রস্রাব করবেন, না করলে জরিমানা” মানে কাজটি করতেই হবে। শব্দ একই, শুধু কমার জায়গা আলাদা।
লেখায় কণ্ঠস্বরের ওঠানামা থাকে না; সেই কাজটাই করে দাঁড়ি, কমা, প্রশ্নবোধক, বিস্ময়সূচক চিহ্ন। এতে বাক্যের ভাব ও অর্থ পাঠকের কাছে পরিষ্কার হয়।
ফাঁদ হলো সৌন্দর্য বা অলংকার: সঠিক যতিচিহ্নে লেখা সুন্দরও দেখায়, কিন্তু সেটা মূল উদ্দেশ্য নয়।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| বাক্য | অর্থ |
|---|---|
| প্রস্রাব করবেন না, করলে জরিমানা | কাজটি নিষেধ |
| প্রস্রাব করবেন, না করলে জরিমানা | কাজটি করতেই হবে |
| বিরামচিহ্নের কাজ | অর্থ স্পষ্ট করা ও থামার নির্দেশ |
- প্রশ্ন: বিরামচিহ্ন কেন বসে।
- একই শব্দে কমার জায়গা বদলালে অর্থ বদলায়।
- তাই মূল উদ্দেশ্য: বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করা।
ক. বাক্য সংকোচনের জন্য: বাক্য সংকোচন মানে অনেক শব্দকে এক শব্দে প্রকাশ; বিরামচিহ্নের কাজ নয়।
গ. বাক্যের সৌন্দর্যের জন্য: সৌন্দর্য পার্শ্বফল, মূল উদ্দেশ্য নয়।
ঘ. বাক্যকে অলংকৃত করার জন্য: বাক্যকে অলংকৃত করে উপমা-অনুপ্রাসের মতো অলংকার, বিরামচিহ্ন নয়।
বিরামচিহ্নের উদ্দেশ্যের প্রশ্নে “অর্থ স্পষ্ট করা” শব্দ দুটি খুঁজুন।
কমা সরলে কথা বদলায়।