'মনীষা' এর সন্ধি বিচ্ছেদ -
সঠিক উত্তর
ঘমনস + ঈষা
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা বিসর্গ সন্ধি নিয়ে। মনীষা শব্দের বিচ্ছেদ মনস্ যোগ ঈষা। তৎসম শব্দ মনঃ আসলে মনস্, যার শেষে লুকানো স্ আছে।
নিয়ম: অ-কারের পর স্ বা র্ জাতীয় বিসর্গ থাকলে, আর পরে স্বরধ্বনি এলে, কিছু শব্দে বিসর্গ লোপ পায় এবং দুই অংশ জুড়ে যায়। মনস্ যোগ ঈষা থেকে স্ লোপ পেয়ে, ন-এর অ আর ঈ মিলে হয় নী, ফলে মনীষা।
ঈষা মানে ইচ্ছা বা অভিপ্রায়; মনীষা মানে মনের শক্তি, প্রজ্ঞা। তাই ঈ দীর্ঘ, ই হ্রস্ব নয়।
ফাঁদ হলো মন যোগ ঈষা: দেখতে সহজ মনে হয়, কিন্তু অ আর ঈ মিললে স্বরসন্ধিতে হতো এ, মানে মনেষা। মনীষা পেতে হলে মূল শব্দ মনস্ ধরতেই হবে।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩বিসর্গ সন্ধি: স্-লোপ, যেমন মনস্ + ঈষা = মনীষা
- মন শব্দের তৎসম মূল রূপ মনস্, শেষে স্ আছে।
- মনস্ + ঈষা: স্ লোপ পায়।
- ন + ঈ = নী, তাই মনীষা।
ক. মন + ইষা: মন + ইষা স্বরসন্ধিতে মনেষা হতো; তা ছাড়া ঈষা-র বানান হ্রস্ব ই নয়।
খ. মন + ঈষা: মন + ঈষা স্বরসন্ধিতে অ আর ঈ মিলে এ হয়, মনেষা; মনীষা নয়।
গ. মনস + ইষা: মনস্ ঠিক আছে, কিন্তু ইষা হ্রস্ব-ই দিয়ে লেখা ভুল; শব্দটি ঈষা।
মনস্ দিয়ে আরও কয়েকটি: মনস্ + তাপ = মনস্তাপ, মনস্ + কামনা = মনস্কামনা, মনস্ + অন্তর = মনান্তর।
মনের ইচ্ছা মনীষা: মনস্ আর ঈষা, দুটোই দীর্ঘ পথে।