'মহাজ্ঞান' এর সঠিক ব্যাসবাক্য কোনটি?
সঠিক উত্তর
গমহৎ যে জ্ঞান
ব্যাখ্যা
মহাজ্ঞান একটি কর্মধারয় সমাস, যেখানে বিশেষণ ও বিশেষ্য মিলে সমাস হয় এবং বিশেষ্য পদের অর্থ প্রধান থাকে। ব্যাসবাক্যে যে বা যিনি দিয়ে দুটি পদকে জোড়া হয়।
কর্মধারয় সমাসের একটি নিয়ম হলো, পূর্বপদে মহৎ বা মহান থাকলে সমস্ত পদে তা মহা হয়ে যায়। ব্যাকরণ বইয়ের প্রচলিত উদাহরণ: মহৎ যে জ্ঞান, মহাজ্ঞান। তেমনি মহান যে নবি, মহানবি।
ব্যাসবাক্যে সমাসের আগের মূল শব্দটি লিখতে হয়। মহা শব্দটি সমাসে তৈরি হওয়া রূপ, তাই মহা যে জ্ঞান ঠিক ব্যাসবাক্য নয়। আর মহতী হলো মহৎ শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ, যেমন মহতী সভা; জ্ঞান শব্দের সঙ্গে এটি খাটে না।
ফাঁদ হলো মহান যে জ্ঞান। মহান শব্দটিও মহা হয়, তাই একে ঠিক মনে হয়; কিন্তু মহাজ্ঞান শব্দের প্রচলিত ও প্রত্যাশিত ব্যাসবাক্য মহৎ যে জ্ঞান।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩কর্মধারয়ে পূর্বপদের মহৎ / মহান → মহা: মহাজ্ঞান, মহানবি, মহাকাব্য
- মহাজ্ঞান: বিশেষণ ও বিশেষ্য মিলে কর্মধারয় সমাস।
- নিয়ম: পূর্বপদের মহৎ বা মহান সমাসে মহা হয়।
- ব্যাসবাক্য: মহৎ যে জ্ঞান = মহাজ্ঞান।
ক. মহান যে জ্ঞান: মহান যে নবি ধরনের উদাহরণে চলে; মহাজ্ঞান এর প্রচলিত ব্যাসবাক্য মহৎ যে জ্ঞান।
খ. মহা যে জ্ঞান: মহা সমাসে তৈরি রূপ; ব্যাসবাক্যে মূল শব্দ মহৎ লিখতে হয়।
ঘ. মহতী যে জ্ঞান: মহতী মহৎ এর স্ত্রীবাচক রূপ, যেমন মহতী সভা; জ্ঞান শব্দের সঙ্গে খাটে না।
মহা দিয়ে শুরু কর্মধারয়ের ব্যাসবাক্যে মহৎ বা মহান ফিরিয়ে আনুন: মহৎ যে জ্ঞান, মহান যে নবি, মহৎ যে কাব্য।
মহৎ জ্ঞান মিলে মহাজ্ঞান।