ভাষার আঞ্চলিক বৈচিত্র্যকে বলা হয় -
সঠিক উত্তর
খউপভাষা
ব্যাখ্যা
একই ভাষা বিভিন্ন অঞ্চলে উচ্চারণ, শব্দ আর বাক্যগঠনে খানিকটা আলাদা রূপ নেয়। ভাষার এই অঞ্চলভিত্তিক রূপকে বলে উপভাষা, ইংরেজিতে dialect। একে আঞ্চলিক ভাষাও বলা হয়।
যেমন বাংলা ভাষার চট্টগ্রাম, সিলেট, নোয়াখালী, বরিশাল অঞ্চলের রূপ আলাদা আলাদা উপভাষা। সবগুলো মিলেই বাংলা ভাষা, আর সবার বোঝার জন্য সাধারণ মানরূপ হলো প্রমিত বাংলা।
শাখাভাষা শব্দটা শুনতে কাছাকাছি লাগে, কিন্তু ব্যাকরণে এটি পরিভাষা নয়; একটি ভাষাপরিবারের সদস্য ভাষাকে শাখা বলা হয়, কোনো ভাষার আঞ্চলিক রূপকে নয়। এটাই এখানে মূল ফাঁদ।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩- একটি ভাষা অঞ্চলভেদে বিভিন্ন রূপ নেয়।
- এই আঞ্চলিক রূপের নাম উপভাষা বা dialect।
- সব উপভাষার ওপরে সবার জন্য একটি মানরূপ থাকে: প্রমিত ভাষা।
ক. বিবর্তিত ভাষা: বিবর্তিত ভাষা মানে সময়ের সঙ্গে বদলে যাওয়া রূপ; অঞ্চলভেদের সঙ্গে সম্পর্ক নেই।
গ. ভাষা লিপি: লিপি হলো লেখার বর্ণমালা; ভাষার কথ্য আঞ্চলিক রূপ নয়।
ঘ. শাখাভাষা: শাখা বলা হয় ভাষাপরিবারের সদস্য ভাষাকে; আঞ্চলিক রূপের পরিভাষা উপভাষা।
অঞ্চলভেদে ভাষার রূপ = উপভাষা (dialect); একজন মানুষের নিজস্ব বলার ধরন = ব্যক্তিভাষা (idiolect)।
উপ মানে কাছের ছোট রূপ: ভাষার আঞ্চলিক ছোট রূপ উপভাষা।