আমাদের সম্পর্কে
প্রশ্নব্যাংক নতুন · ফ্রি৩,০২১টি আসল বিসিএস প্রশ্ন, ব্যাখ্যাসহসমাধান ও ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি২৭তম বিসিএস (২০০৫)

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রথম বাংলাদেশী সভাপতি কে?

সঠিক উত্তর

গহুমায়ুন রশীদ চৌধুরী

ব্যাখ্যা

প্রশ্নটা জানতে চেয়েছে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির আসনে প্রথম কোন বাংলাদেশি বসেছিলেন। উত্তর হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী।

১৯৮৬ সালে সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে তিনি সভাপতি নির্বাচিত হন। পরীক্ষার সময় পর্যন্ত তিনিই ছিলেন এই পদে বসা একমাত্র বাংলাদেশি। পরে ১৯৯৬ সালে তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকার হন।

সাধারণ পরিষদের সভাপতি প্রতি বছর নতুন অধিবেশনের জন্য নির্বাচিত হন, আর পদটি পালাক্রমে বিভিন্ন আঞ্চলিক গোষ্ঠীর দেশগুলোর মধ্যে ঘোরে। তাই এই পদ পাওয়া একটি দেশের জন্য বড় কূটনৈতিক সম্মান।

ফাঁদ হলো অন্য তিনজনও জাতিসংঘ বা কূটনীতির সঙ্গে যুক্ত। খাজা ওয়াসিউদ্দিন ও বি এ সিদ্দিকী জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ছিলেন, আর শমসের মবিন চৌধুরী ছিলেন পররাষ্ট্রসচিব; কেউই সাধারণ পরিষদের সভাপতি হননি।

স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন

৩/৩
নামপরিচয়
খাজা ওয়াসিউদ্দিনজাতিসংঘে স্থায়ী প্রতিনিধি, ১৯৮২ থেকে ১৯৮৬
বি এ সিদ্দিকীজাতিসংঘে স্থায়ী প্রতিনিধি, ১৯৮৬ থেকে ১৯৮৮
শমসের মবিন চৌধুরীপররাষ্ট্রসচিব, ২০০১ থেকে ২০০৫
হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীসাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনের সভাপতি, ১৯৮৬
  1. খাজা ওয়াসিউদ্দিন ও বি এ সিদ্দিকী: দুজনই জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ছিলেন।
  2. শমসের মবিন চৌধুরী ছিলেন পররাষ্ট্রসচিব ও রাষ্ট্রদূত।
  3. ১৯৮৬ সালে ৪১তম অধিবেশনের সভাপতি হন হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী।
অন্য অপশনগুলো কেন ভুল

ক. বি এ সিদ্দিকী: বি এ সিদ্দিকী ১৯৮৬ থেকে ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ছিলেন, সাধারণ পরিষদের সভাপতি নন।

খ. খাজা ওয়াসিউদ্দিন: খাজা ওয়াসিউদ্দিন ১৯৮২ থেকে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ছিলেন; স্থায়ী প্রতিনিধি আর সাধারণ পরিষদের সভাপতি আলাদা পদ।

ঘ. শমসের মবিন চৌধুরী: শমসের মবিন চৌধুরী ছিলেন পররাষ্ট্রসচিব ও যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রদূত; সাধারণ পরিষদের সভাপতি হননি।

শর্টকাট

সাধারণ পরিষদের সভাপতি আর জাতিসংঘে স্থায়ী প্রতিনিধি আলাদা পদ; সভাপতি বাংলাদেশ থেকে একজনই।

মনে রাখুন

ছিয়াশি সালে একচল্লিশতম অধিবেশন: হুমায়ুন রশীদ।