মুসলমান প্রধান না হয়েও কোন দেশটি ইসলামী সম্মেলন সংস্থার সদস্য?
সঠিক উত্তর
ঘউগান্ডা
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা খুঁজছে এমন দেশ, যেখানে মুসলমানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ নয়, তবুও দেশটি ইসলামি সম্মেলন সংস্থার সদস্য। সংস্থাটি এখন ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা, সংক্ষেপে ওআইসি নামে পরিচিত।
উগান্ডার জনসংখ্যার বড় অংশ খ্রিষ্টান; মুসলমান মোটামুটি ১৪ শতাংশ। তবুও দেশটি ১৯৭৪ সালে ওআইসির সদস্য হয়। আফ্রিকার গ্যাবন ও মোজাম্বিক এবং দক্ষিণ আমেরিকার গায়ানা ও সুরিনামও মুসলিমপ্রধান না হয়েও সদস্য।
এ ধরনের প্রশ্নে প্রতিটি বিকল্পের মুসলিম জনসংখ্যার আন্দাজ মাথায় রাখতে হয়। যে দেশে মুসলমান অর্ধেক বা তার বেশি, সেটি বাদ; যেখানে মুসলমান স্পষ্টভাবে সংখ্যালঘু অথচ দেশটি সদস্য, সেটিই উত্তর।
ফাঁদ নাইজেরিয়া: সেখানে মুসলমান প্রায় অর্ধেক, তাই দেশটিকে অমুসলিমপ্রধান বলা যায় না। লেবাননেও মুসলমানরা সংখ্যায় বেশি। তৃতীয় বিকল্পের নামটি প্রশ্নপত্রের প্রচলিত কপিগুলোতেই বিকৃতভাবে ছাপা; নাইজার বোঝানো হলে সেটি প্রায় পুরোপুরি মুসলিম দেশ।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| দেশ | মুসলিম জনসংখ্যা |
|---|---|
| নাইজেরিয়া | প্রায় অর্ধেক |
| লেবানন | সংখ্যাগরিষ্ঠ |
| নাইজার | প্রায় সবাই |
| উগান্ডা | প্রায় ১৪ শতাংশ, তবু ওআইসি সদস্য |
- নাইজেরিয়া ও লেবানন: মুসলমান প্রায় অর্ধেক বা তার বেশি, তাই বাদ।
- নাইজার প্রায় পুরোপুরি মুসলিম দেশ, তাই এটিও বাদ।
- উগান্ডায় মুসলমান প্রায় ১৪ শতাংশ, তবু ১৯৭৪ সাল থেকে ওআইসির সদস্য।
ক. নাইজেরিয়া: নাইজেরিয়ায় মুসলমান প্রায় অর্ধেক; দেশটিকে অমুসলিমপ্রধান বলা যায় না, তাই প্রশ্নের শর্ত পূরণ হয় না।
খ. লেবানন: লেবাননে মুসলমানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ; দেশটি ওআইসির শুরু থেকেই সদস্য, তাই এটি মুসলিমপ্রধান সদস্যের উদাহরণ।
গ. নাইজারনুমো: নামটি বিকৃতভাবে ছাপা, এ নামে কোনো দেশ নেই; নাইজার বোঝানো হলে সেটি প্রায় পুরোপুরি মুসলিম দেশ।
অমুসলিমপ্রধান ওআইসি সদস্য: উগান্ডা, গ্যাবন, মোজাম্বিক, গায়ানা, সুরিনাম।
উগান্ডা খ্রিষ্টানপ্রধান, তবু ওআইসির ঘরে।