কত খ্রিস্টাব্দে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘জগত্তারিণী’ পদক লাভ করেন?
সঠিক উত্তর
খ১৯২৩
ব্যাখ্যা
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগত্তারিণী স্বর্ণপদক সাহিত্যে বড় অবদানের জন্য দেওয়া হয়। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এই পদক পান ১৯২৩ সালে।
সাল মনে রাখতে শরৎচন্দ্রের জীবনের কয়েকটি মাইলফলক জুড়ে নিন। তিনি ১৯০৩ সালে বর্মায়, মানে রেঙ্গুনে চাকরি নিয়ে যান, আর ১৯১৬ সালে ফিরে আসেন।
১৯২৩ সালে জগত্তারিণী পদক, আর ১৯৩৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ডি লিট উপাধি দেয়।
১৯০৩ আর ১৯১৬ তাঁর জীবনের সত্যিকারের সাল, কিন্তু পদকের নয়; তাই এগুলো ফাঁদ।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪- ১৯০৩রেঙ্গুনে যাত্রা
- ১৯১৬বর্মা থেকে প্রত্যাবর্তন
- ১৯২৩জগত্তারিণী স্বর্ণপদক
- ১৯৩৬ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডি লিট
- ১৯০৩: শরৎচন্দ্র রেঙ্গুনে যান।
- ১৯১৬: বর্মা থেকে ফিরে আসেন।
- ১৯২৩: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগত্তারিণী পদক।
- ১৯৩৬: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডি লিট।
ক. ১৯১৬: ১৯১৬ সালে শরৎচন্দ্র বর্মা থেকে দেশে ফেরেন; পদক পান আরও সাত বছর পরে।
গ. ১৯৩৩: ১৯৩৩ সালের সঙ্গে এই পদকের সম্পর্ক নেই; ১৯৩৬ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডি লিট পান।
ঘ. ১৯০৩: ১৯০৩ সালে তিনি রেঙ্গুনে চাকরি নিয়ে যান; তখনো তিনি খ্যাতিমান লেখক নন।
শরৎচন্দ্রের সম্মান: ১৯২৩ কলকাতার পদক, ১৯৩৬ ঢাকার ডি লিট।
তেইশে পদক, ছত্রিশে ডি লিট।