চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয় কোথা থেকে?
সঠিক উত্তর
গনেপালের রাজগ্রন্থশালা থেকে
ব্যাখ্যা
চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন। মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে এর পুঁথি আবিষ্কার করেন।
১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ থেকে তিনি পুঁথিটি হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা নামে প্রকাশ করেন। পরে প্রবোধচন্দ্র বাগচী চর্যার তিব্বতি অনুবাদ খুঁজে পান, যা চীন নয়, তিব্বতের।
বাঁকুড়ার গোয়ালঘরের বিকল্পটি সবচেয়ে বড় ফাঁদ। সেখান থেকে ১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের পুঁথি পান, চর্যাপদ নয়।
আরাকান রাজসভা মধ্যযুগে দৌলত কাজী ও আলাওলের মতো কবিদের পৃষ্ঠপোষক ছিল; চর্যাপদের সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪- ১৯০৭নেপাল রাজদরবার: চর্যাপদ আবিষ্কার
- ১৯০৯বাঁকুড়ার গোয়ালঘর: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
- ১৯১৬চর্যাপদ প্রকাশ (বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ)
- পরেতিব্বতি অনুবাদ: প্রবোধচন্দ্র বাগচী
- ১৯০৭: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজগ্রন্থশালায় চর্যাপদ পান।
- ১৯০৯: বাঁকুড়ার গোয়ালঘরে পাওয়া যায় শ্রীকৃষ্ণকীর্তন, চর্যাপদ নয়।
- ১৯১৬: বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ থেকে চর্যাপদ প্রকাশ।
- পরে প্রবোধচন্দ্র বাগচী তিব্বতি অনুবাদ খুঁজে পান।
ক. বাঁকুড়ার এক গৃহস্থের গোয়াল ঘর থেকে: বাঁকুড়ার গোয়ালঘর থেকে পাওয়া যায় শ্রীকৃষ্ণকীর্তন, চর্যাপদ নয়; এটাই প্রধান ফাঁদ।
খ. আরাকান রাজগ্রন্থাগার থেকে: আরাকান রাজসভা মধ্যযুগের মুসলমান কবিদের পৃষ্ঠপোষক; চর্যাপদের সঙ্গে সম্পর্ক নেই।
ঘ. সুদূর চীন দেশ থেকে: চর্যার তিব্বতি অনুবাদ পাওয়া গেছে, চীনে নয়; আর মূল পুঁথি পাওয়া গেছে নেপালে।
দুই আবিষ্কার আলাদা রাখুন: চর্যা নেপালে, হরপ্রসাদ; শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বাঁকুড়ায়, বসন্তরঞ্জন।
চর্যা পাহাড়ে নেপালে, কৃষ্ণ গোয়ালঘরে বাঁকুড়ায়।