লোকসাহিত্য কাকে বলে?
সঠিক উত্তর
গলোকের মুখে মুখে প্রচলিত কাহিনী, গান, ছড়া ইত্যাদিকে
ব্যাখ্যা
লোকসাহিত্য হলো সাধারণ মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত কাহিনি, গান, ছড়া, ধাঁধা, প্রবাদ, যা লিখিত রূপ ছাড়াই প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে চলে আসে।
এর মূল বৈশিষ্ট্য মৌখিকতা। রচয়িতা সাধারণত অজ্ঞাত, আর মুখে মুখে ঘুরতে ঘুরতে রূপ বদলায়, তাই একে সমষ্টির সৃষ্টি বলা হয়। মৈমনসিংহ গীতিকা, রূপকথা, লোকগীতি এর উদাহরণ।
অন্য সংজ্ঞাগুলো অসম্পূর্ণ বা ভুল। গ্রামীণ প্রণয়কাহিনি লোকসাহিত্যের একটি অংশ মাত্র, পুরোটা নয়। দেবতার স্তুতিমূলক রচনা মঙ্গলকাব্যের মতো লিখিত ধারার বৈশিষ্ট্য।
অশিক্ষিত ও অখ্যাত লোকের রচনা বিকল্পটি ফাঁদ। লোকসাহিত্যের পরিচয় রচয়িতার শিক্ষা দিয়ে নয়, মুখে মুখে প্রচলন দিয়ে।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| প্রশ্ন | লোকসাহিত্যে উত্তর |
|---|---|
| কীভাবে চলে | মুখে মুখে, লিখিত রূপ ছাড়া |
| রচয়িতা | সাধারণত অজ্ঞাত, সমষ্টির সৃষ্টি |
| উদাহরণ | ছড়া, ধাঁধা, প্রবাদ, মৈমনসিংহ গীতিকা |
- লোকসাহিত্যের প্রধান লক্ষণ: মুখে মুখে প্রচলিত।
- রচয়িতা অজ্ঞাত, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে চলে আসে।
- উদাহরণ: ছড়া, ধাঁধা, প্রবাদ, গীতিকা, রূপকথা।
ক. গ্রামীণ নরনারীর প্রণয় সংবলিত উপাখ্যানকে: গ্রামীণ প্রণয়কাহিনি লোকসাহিত্যের একটি ধারা মাত্র; ছড়া, ধাঁধা, প্রবাদ বাদ পড়ে যায়।
খ. লোক সাধারণের কল্যাণে দেবতার স্তুতিমূলক রচনাকে: দেবতার স্তুতিমূলক রচনা মঙ্গলকাব্যের মতো লিখিত ধর্মীয় ধারার বৈশিষ্ট্য।
ঘ. গ্রামীণ অশিক্ষিত ও অখ্যাত লোকের সৃষ্ট রচনাকে: রচয়িতার শিক্ষা লোকসাহিত্যের মাপকাঠি নয়; মুখে মুখে প্রচলনই আসল লক্ষণ।
লোকসাহিত্যের চাবিকাঠি শব্দ: মুখে মুখে প্রচলিত।
লেখা নেই, নাম নেই, তবু মুখে মুখে বেঁচে আছে।