জীবজগতের জন্যে সবচেয়ে ক্ষতিকারক রশ্মি কোনটি?
সঠিক উত্তর
ঘগামা রশ্মি
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা বিভিন্ন বিকিরণের ক্ষতিকর ক্ষমতার তুলনা চায়। গামা রশ্মি উচ্চশক্তির তড়িৎচৌম্বক তরঙ্গ, যার ভেদনক্ষমতা সবচেয়ে বেশি। এটি দেহ ভেদ করে গভীরে কোষ ও ডিএনএর ক্ষতি করে, তাই একে জীবজগতের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর ধরা হয়।
ভেদনক্ষমতার ক্রম মনে রাখুন: আলফা কণা এক টুকরো কাগজেই আটকে যায়, বিটা কণা আটকাতে কয়েক মিলিমিটার অ্যালুমিনিয়ামের পাত লাগে, আর গামা রশ্মি আটকাতে লাগে পুরু সিসা বা কংক্রিট।
অতিবেগুনি রশ্মিও ক্ষতিকর, ত্বকে পোড়া ও ক্যান্সার ঘটাতে পারে; তবে এর শক্তি গামার চেয়ে অনেক কম, এর বড় অংশ ওজোন স্তরে শোষিত হয়, আর এটি ত্বক পেরিয়ে দেহের গভীরে যায় না।
ফাঁদ হলো অতিবেগুনি রশ্মি, কারণ দৈনন্দিন জীবনে এর ক্ষতির কথাই বেশি শোনা যায়। তবে শক্তি ও ভেদনক্ষমতা বিচারে গামা রশ্মিই সবচেয়ে ক্ষতিকর।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| বিকিরণ | কোথায় আটকায় |
|---|---|
| আলফা | কাগজ |
| বিটা | কয়েক মিমি অ্যালুমিনিয়াম |
| অতিবেগুনি | ওজোন স্তর, ত্বকের উপরিভাগ |
| গামা | পুরু সিসা বা কংক্রিট |
- আলফা কণা কাগজেই আটকে যায়; ভেদনক্ষমতা সবচেয়ে কম।
- বিটা আটকায় অ্যালুমিনিয়ামের পাতে; অতিবেগুনি ত্বকের উপরিভাগেই শোষিত হয়।
- গামা আটকাতে পুরু সিসা লাগে; দেহ ভেদ করে কোষের ক্ষতি করে।
ক. আলট্রা-ভায়োলেট রশ্মি: আলট্রা-ভায়োলেট রশ্মি বিকল্পটি ফাঁদ: এটি ত্বকের ক্ষতি করে ঠিকই, কিন্তু এর শক্তি গামার চেয়ে অনেক কম এবং বড় অংশ ওজোন স্তরে শোষিত হয়।
খ. বিটা রশ্মি: বিটা রশ্মি বিকল্পটি ভুল, কারণ বিটা কণা কয়েক মিলিমিটার অ্যালুমিনিয়ামেই আটকে যায়; গামার মতো গভীরে ঢোকে না।
গ. আলফা রশ্মি: আলফা রশ্মি বিকল্পটি ভুল, কারণ দেহের বাইরে থেকে আলফা কণা কাগজ বা ত্বকের বাইরের স্তরেই আটকে যায়; এর ভেদনক্ষমতা সবচেয়ে কম।
ভেদনক্ষমতা আলফা থেকে বিটা থেকে গামার দিকে বাড়ে; সবচেয়ে ক্ষতিকর গামা।
কাগজে আলফা, পাতে বিটা, সিসায় গামা।