বাংলা কথ্য ভাষার আদি গ্রন্থ কোনটি?
সঠিক উত্তর
খকৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ
ব্যাখ্যা
কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ পর্তুগিজ পাদ্রি মনোএল দা আসসুম্পসাঁওয়ের লেখা। এটি ঢাকার ভাওয়াল অঞ্চলের মুখের ভাষায়, প্রশ্নোত্তরের আকারে খ্রিস্টধর্মের কথা বলে।
বইটি ১৭৪৩ সালে পর্তুগালের লিসবন থেকে রোমান হরফে ছাপা হয়। সাধু বা সংস্কৃতঘেঁষা ভাষায় না লিখে কথ্য ভাষায় লেখা বলে একে বাংলা কথ্য ভাষার আদি গ্রন্থ বলা হয়।
ফুলমণি ও করুণার বিবরণ হানা ক্যাথরিন ম্যালেন্সের লেখা, ১৮৫২ সালের, অনেক পরের রচনা। একে কেউ কেউ প্রথম বাংলা উপন্যাসের দাবিদার বলেন, তাই নামটা পরিচিত লাগে।
প্রভু যিশুর বাণী আর মিশনারি জীবন নামগুলো মিশনারি প্রসঙ্গের সঙ্গে মিল রেখে দেওয়া; কথ্য ভাষার আদি গ্রন্থ হিসেবে এদের কোনো স্বীকৃতি নেই।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩- ১৭৪৩কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ: কথ্য বাংলা, রোমান হরফ
- ১৭৪৩লেখক মনোএল দা আসসুম্পসাঁও, ভাওয়ালের ভাষা
- ১৮৫২ফুলমণি ও করুণার বিবরণ (ম্যালেন্স)
- ১৭৪৩: লিসবন থেকে রোমান হরফে কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ।
- ভাষা ভাওয়াল অঞ্চলের কথ্য বাংলা: তাই কথ্য ভাষার আদি গ্রন্থ।
- ১৮৫২: ফুলমণি ও করুণার বিবরণ, অনেক পরের রচনা।
ক. প্রভু যিশুর বাণী: প্রভু যিশুর বাণী কথ্য ভাষার আদি গ্রন্থ হিসেবে স্বীকৃত নয়; মিশনারি প্রসঙ্গের মিল দিয়ে বিভ্রান্ত করা।
গ. ফুলমণি ও করুণার বিবরণ: ফুলমণি ও করুণার বিবরণ ১৮৫২ সালের রচনা, আদি গ্রন্থের প্রায় একশো বছর পরের।
ঘ. মিশনারি জীবন: মিশনারি জীবন নামে কোনো স্বীকৃত আদি কথ্য গ্রন্থ নেই।
আসসুম্পসাঁওয়ের দুই প্রথম: পর্তুগিজে বাংলা ব্যাকরণ, আর কথ্য ভাষার আদি গ্রন্থ কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ।
ভাওয়ালের মুখের ভাষা ছাপা হলো লিসবনে।