বাংলা ভাষায় ছন্দ প্রধানত কত প্রকার?
সঠিক উত্তর
গ৩
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি বাংলা ছন্দের প্রধান প্রকার জানতে চেয়েছে। বাংলা ছন্দ প্রধানত তিন প্রকার: স্বরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত আর অক্ষরবৃত্ত।
পার্থক্যটা রুদ্ধ দল, মানে ব্যঞ্জনে শেষ হওয়া অক্ষর, কত মাত্রা পায় তা দিয়ে। স্বরবৃত্তে রুদ্ধ দল এক মাত্রা, মাত্রাবৃত্তে সবসময় দুই মাত্রা, আর অক্ষরবৃত্তে শব্দের শেষে দুই কিন্তু শব্দের ভেতরে এক মাত্রা।
এদের অন্য নামও আছে: স্বরবৃত্তকে দলবৃত্ত বা ছড়ার ছন্দ, মাত্রাবৃত্তকে কলাবৃত্ত, আর অক্ষরবৃত্তকে মিশ্রবৃত্ত বা তানপ্রধান ছন্দ বলে। নাম আলাদা হলেও প্রকার তিনটিই।
ফাঁদ হলো চার বিকল্পটি। অনেকে অমিত্রাক্ষর বা গদ্যছন্দকে আলাদা প্রকার ধরে চার গোনেন, কিন্তু অমিত্রাক্ষর আসলে অক্ষরবৃত্তেরই একটি রূপ।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪| ছন্দ | অন্য নাম | রুদ্ধ দলের মাত্রা |
|---|---|---|
| স্বরবৃত্ত | দলবৃত্ত, ছড়ার ছন্দ | ১ |
| মাত্রাবৃত্ত | কলাবৃত্ত | সবসময় ২ |
| অক্ষরবৃত্ত | মিশ্রবৃত্ত, তানপ্রধান | শব্দশেষে ২, ভেতরে ১ |
| অমিত্রাক্ষর | অক্ষরবৃত্তের রূপ | আলাদা প্রকার নয় |
- স্বরবৃত্ত: রুদ্ধ দল এক মাত্রা, ছড়ার ছন্দ।
- মাত্রাবৃত্ত: রুদ্ধ দল সবসময় দুই মাত্রা।
- অক্ষরবৃত্ত: শব্দের শেষে দুই, ভেতরে এক মাত্রা।
- অমিত্রাক্ষর অক্ষরবৃত্তেরই রূপ; তাই মোট প্রধান ছন্দ তিনটি।
ক. ২: দুই প্রকার বললে একটি প্রধান ছন্দ বাদ পড়ে যায়।
খ. ৪: অমিত্রাক্ষর বা গদ্যছন্দকে আলাদা গুনলে চার আসে, কিন্তু এরা প্রধান প্রকার নয়।
ঘ. ৫: পাঁচ প্রকারের কোনো প্রচলিত শ্রেণিবিভাগ নেই।
তিন ছন্দ: স্বর, মাত্রা, অক্ষর। রুদ্ধ দল ১, ২, মিশ্র।
ছড়া, গান আর পয়ার: তিন ছন্দের তিন ঘর।