‘অপ’ কী ধরনের উপসর্গ?
সঠিক উত্তর
কসংস্কৃত
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি অপ উপসর্গের উৎস জানতে চেয়েছে। অপ সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ; যেমন অপমান, অপচয়, অপকর্ম, অপযশ।
উপসর্গ তিন রকম: বাংলা, সংস্কৃত আর বিদেশি। সংস্কৃত উপসর্গ বিশটি, যেমন প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু; বাংলা উপসর্গ একুশটি, যেমন অ, অঘা, অজ, আ; আর বিদেশি উপসর্গ আসে আরবি, ফারসি, ইংরেজি থেকে, যেমন বে, না, গর, হেড।
সংস্কৃত উপসর্গ সাধারণত তৎসম শব্দের আগে বসে। অপ বসেছে মান, চয়, কর্ম এসব তৎসম শব্দের আগে, আর অর্থ দিয়েছে বিপরীত বা নিকৃষ্ট। এটাই চেনার সহজ উপায়।
মিশ্র উপসর্গ নামে কোনো শ্রেণিই নেই, তাই সেই বিকল্পটি সহজেই বাদ যায়। বাংলা বিকল্পে ভুল হয় কারণ অ উপসর্গটা বাংলায় আছে, কিন্তু অপ আলাদা উপসর্গ।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩সংস্কৃত উপসর্গ ২০টি (প্র, পরা, অপ, সম ...); বাংলা ২১টি; বিদেশি আলাদা
- অপ বসে তৎসম শব্দের আগে: অপমান, অপচয়।
- অর্থ দেয় বিপরীত বা নিকৃষ্ট: তাই এটি সংস্কৃত উপসর্গ।
- তুলনা: অজপাড়াগাঁ-র অজ বাংলা, বেহিসাব-এর বে বিদেশি উপসর্গ।
খ. বাংলা: বাংলা উপসর্গের তালিকায় অ, অঘা, অজ আছে; অপ নেই।
গ. বিদেশি: বিদেশি উপসর্গ বে, না, গর, হেড ইত্যাদি; অপ সংস্কৃত।
ঘ. মিশ্র: মিশ্র উপসর্গ বলে কোনো স্বীকৃত শ্রেণি নেই।
অপ দিয়ে আরও শব্দ: অপকর্ম, অপযশ, অপপ্রয়োগ। সবগুলোতেই মূল শব্দ তৎসম।
অপমান যেমন সংস্কৃত, অপ-ও তেমন সংস্কৃত।