জমির লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণ করে কোনটি?
সঠিক উত্তর
খপানি সেচ
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে জমির লবণাক্ততা কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। উত্তর পানি সেচ।
মাটির লবণ পানিতে গলে যায়। পর্যাপ্ত মিঠা পানি দিয়ে সেচ দিলে উপরের স্তরের লবণ গলে পানির সঙ্গে নিচের দিকে চুইয়ে নেমে যায়, অথবা নালা দিয়ে বেরিয়ে যায়। একে লবণ ধুয়ে ফেলা বা লিচিং বলে।
ফলে গাছের শিকড় যেখানে থাকে, সেই স্তরে লবণ কমে আর ফসল ভালো হয়। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলে শুকনো মৌসুমে লবণাক্ততা বাড়ে, তাই সেখানে মিঠা পানির সেচ ও পানি নিষ্কাশন খুব জরুরি।
সার দিলে মাটির পুষ্টি বাড়ে, কিন্তু লবণ সরে না। উল্টো রাসায়নিক সার বেশি দিলে মাটিতে লবণের মাত্রা আরও বাড়তে পারে, তাই কৃত্রিম সার বেছে নেওয়া বড় ভুল।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩- মাটির লবণ পানিতে দ্রবণীয়।
- মিঠা পানির সেচে লবণ গলে নিচে চুইয়ে বা নালা দিয়ে বেরিয়ে যায়।
- শিকড়ের স্তরে লবণ কমে: লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রিত হয়।
ক. কৃত্রিম সার প্রয়োগ: রাসায়নিক সার লবণ সরায় না; বেশি দিলে লবণাক্ততা বরং বাড়ে।
গ. জমিতে নাইট্রোজেন ধরে রাখা: নাইট্রোজেন উর্বরতা বাড়ায়, লবণ কমায় না।
ঘ. প্রাকৃতিক সার প্রয়োগ: জৈব সার মাটির গঠন ভালো করে, কিন্তু লবণ ধুয়ে ফেলার কাজ করে পানি।
লবণ সরাতে পানি: সেচ দিয়ে ধুয়ে ফেলা।
লবণ গলে পানিতে, তাই সেচই সমাধান মাটিতে।