কোন মাধ্যমে শব্দের গতি সর্বাপেক্ষা কম?
সঠিক উত্তর
ঘবায়বীয় পদার্থে
ব্যাখ্যা
শব্দ যান্ত্রিক তরঙ্গ: মাধ্যমের এক কণার কম্পন পাশের কণায় যায়। তাই শব্দ চলতে মাধ্যম লাগে, আর মাধ্যম যত দৃঢ় ও স্থিতিস্থাপক, শব্দ তত দ্রুত চলে।
সাধারণ নিয়ম: কঠিনে সবচেয়ে বেশি, তরলে তার চেয়ে কম, বায়বীয় পদার্থে সবচেয়ে কম। যেমন শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াসের শুষ্ক বাতাসে শব্দের বেগ সেকেন্ডে প্রায় ৩৩১ মিটার, বিশ ডিগ্রির পানিতে প্রায় ১৪৮১ মিটার, আর লোহায় প্রায় ৫১২০ মিটার।
তাই মাধ্যমগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কম বেগ বায়বীয় পদার্থে। এ কারণেই রেললাইনে কান পাতলে ট্রেনের শব্দ বাতাসের আগে পৌঁছায়।
ফাঁদ হলো শূন্যতা। শূন্যস্থানে কোনো কণা নেই, তাই সেখানে শব্দ চলেই না; বেগ কম নয়, শব্দই অনুপস্থিত। প্রশ্ন জানতে চেয়েছে যেসব মাধ্যমে শব্দ চলে, তাদের মধ্যে কোথায় বেগ সবচেয়ে কম।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪- লোহায় শব্দের বেগ প্রায় ৫১২০ মিটার প্রতি সেকেন্ড।
- পানিতে প্রায় ১৪৮১ মিটার প্রতি সেকেন্ড।
- বাতাসে প্রায় ৩৩১ মিটার প্রতি সেকেন্ড, সবচেয়ে কম।
- শূন্যস্থানে শব্দ চলেই না, কারণ কম্পন বহনের কণা নেই।
ক. শূন্যতায়: বিকল্প ‘শূন্যতায়’ শব্দ চলেই না, কারণ কম্পন বহন করার কোনো কণা নেই; এটি কম বেগের মাধ্যম নয়, মাধ্যমই নয়।
খ. কঠিন পদার্থে: বিকল্প ‘কঠিন পদার্থে’ শব্দের বেগ সবচেয়ে বেশি, যেমন লোহায় সেকেন্ডে প্রায় ৫১২০ মিটার।
গ. তরল পদার্থে: বিকল্প ‘তরল পদার্থে’ বেগ বাতাসের চার গুণের বেশি, যেমন পানিতে সেকেন্ডে প্রায় ১৪৮১ মিটার।
শব্দের বেগ: কঠিন > তরল > বায়বীয়; শূন্যস্থানে শূন্য, কারণ শব্দ চলেই না।
শব্দ দৌড়ায় লোহায়, হাঁটে পানিতে, হামাগুড়ি দেয় বাতাসে।