সন্ধি-সাধিত শব্দ ‘পরস্পর’ কোন ধরনের সন্ধির দৃষ্টান্ত?
সঠিক উত্তর
গনিপাতনে সিদ্ধ
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি পরস্পর শব্দের সন্ধি কোন ধরনের তা জানতে চেয়েছে। পরস্পর এসেছে পর আর পর থেকে, মাঝে একটি স যুক্ত হয়েছে।
স্বর, ব্যঞ্জন বা বিসর্গ সন্ধির কোনো নিয়মে র আর প-এর মাঝে স আসে না। যে সন্ধি নিয়ম না মেনে প্রচলনের জোরে সিদ্ধ, তাকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে। তাই পরস্পর নিপাতনে সিদ্ধ।
একই রকম উদাহরণ: বৃহৎ আর পতি থেকে বৃহস্পতি, বন আর পতি থেকে বনস্পতি, আ আর চর্য থেকে আশ্চর্য, গো আর পদ থেকে গোষ্পদ। মাঝে অপ্রত্যাশিত স বা ষ এলে নিপাতন ভাবুন।
ফাঁদ হলো বিসর্গ সন্ধি বিকল্পটি। স আর ষ সাধারণত বিসর্গ থেকে আসে, যেমন নমঃ আর কার থেকে নমস্কার, তাই অনেকে বিসর্গ ভাবেন। কিন্তু পর শব্দে কোনো বিসর্গ নেই।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩নিয়মের বাইরে প্রচলিত সন্ধি → নিপাতনে সিদ্ধ
- দুই অংশ: পর আর পর।
- মাঝে স যুক্ত হলো, কোনো নিয়মে যা আসার কথা নয়।
- নিয়ম না মেনে প্রচলিত: নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি।
ক. ব্যঞ্জন ধ্বনি: ব্যঞ্জনসন্ধির কোনো নিয়মে র আর প-এর মাঝে স আসে না।
খ. স্বরধ্বনি: স্বরসন্ধিতে দুই স্বর মিলে নতুন স্বর হয়; এখানে নতুন ব্যঞ্জন স এসেছে।
ঘ. বিসর্গ সন্ধি: বিসর্গ সন্ধিতে বিসর্গ থেকে স আসে, কিন্তু পর শব্দে কোনো বিসর্গ নেই।
আরও উদাহরণ: বৃহস্পতি (বৃহৎ + পতি), বনস্পতি (বন + পতি), আশ্চর্য (আ + চর্য), গোষ্পদ (গো + পদ)।
নিয়ম ছাড়া যে স আসে, সে-ই নিপাতন।