কম্পিউটার-টু- কম্পিউটারের তথ্য আদান-প্রদানের প্রযুক্তিকে বলা হয়-
সঠিক উত্তর
গইন্টারনেট
ব্যাখ্যা
আগের বছরের প্রায় একই প্রশ্ন, শুধু শেষ বিকল্পে টেলিগ্রামের বদলে টেলিকমিউনিকেশন। উত্তর আবারও ইন্টারনেট, কারণ কম্পিউটারের সঙ্গে কম্পিউটারের তথ্য বিনিময়ের নির্দিষ্ট ব্যবস্থাই ইন্টারনেট।
টেলিকমিউনিকেশন মানে দূরে তথ্য পাঠানোর যেকোনো ব্যবস্থা: টেলিফোন, রেডিও, টেলিভিশন, মোবাইল, সবই এর মধ্যে পড়ে। এটি খুব বড় একটি ছাতা, শুধু কম্পিউটারের জন্য নয়। ইন্টারনেট এই ছাতার নিচে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের বিশেষ ব্যবস্থা।
এভাবে ধাপে ভাবা যায়: সবচেয়ে বড় পরিসর টেলিকমিউনিকেশন, তার ভেতরে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের বিশ্বজোড়া রূপ ইন্টারনেট, আর ইন্টারনেটের ওপর চলা একটি সেবা ই-মেইল।
নতুন ফাঁদ টেলিকমিউনিকেশন। শব্দটা বড় আর প্রযুক্তিগত শোনায় বলে অনেকে বেছে নেন, কিন্তু প্রশ্নে নির্দিষ্টভাবে কম্পিউটার থেকে কম্পিউটার বলা আছে।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩- সবচেয়ে বড় পরিসর টেলিকমিউনিকেশন: টেলিফোন, রেডিও, টিভি সবই এর অংশ।
- তার ভেতরে কম্পিউটারে কম্পিউটারে তথ্য বিনিময়ের বিশ্বজোড়া ব্যবস্থা ইন্টারনেট।
- ইন্টারনেটের ওপর চলা একটি সেবা ই-মেইল।
ক. ই-মেইল: ই-মেইল ইন্টারনেটভিত্তিক একটি সেবা, নিজে কোনো যোগাযোগ প্রযুক্তি নয়।
খ. ইন্টারকম: ইন্টারকম ভবনের ভেতরের টেলিফোন ব্যবস্থা, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক নয়।
ঘ. টেলিকমিউনিকেশন: টেলিকমিউনিকেশন সব ধরনের দূর-যোগাযোগের সাধারণ নাম; প্রশ্ন চেয়েছে নির্দিষ্টভাবে কম্পিউটারের নেটওয়ার্ক।
প্রশ্নে কম্পিউটার-টু-কম্পিউটার থাকলে উত্তর ইন্টারনেট; বড় ছাতা টেলিকমিউনিকেশন বা ছোট সেবা ই-মেইল নয়।
টেলিকম বড় ছাতা, ইন্টারনেট কম্পিউটারের রাস্তা, ই-মেইল সেই রাস্তার চিঠি।