আমাদের সম্পর্কে
প্রশ্নব্যাংক নতুন · ফ্রি৩,০২১টি আসল বিসিএস প্রশ্ন, ব্যাখ্যাসহসমাধান ও ব্যাখ্যা
সাধারণ বিজ্ঞান৩১তম বিসিএস (২০১১)

বিদ্যুতের উচ্চতর ভোল্ট থেকে নিম্নতর ভোল্ট পাওয়া যায়-

সঠিক উত্তর

গস্টেপ-ডাউন ট্রান্সফর্মারের সাহায্যে

ব্যাখ্যা

উচ্চ ভোল্টেজকে নিম্ন ভোল্টেজে নামাতে ব্যবহৃত হয় স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার। ট্রান্সফরমার তড়িৎচৌম্বক আবেশের নীতিতে কাজ করে, তাই এটি কেবল পরিবর্তী প্রবাহে চলে, একমুখী প্রবাহে নয়।

ট্রান্সফরমারে দুটি কুণ্ডলী থাকে: মুখ্য কুণ্ডলীতে বিদ্যুৎ ঢোকে, গৌণ কুণ্ডলী থেকে বের হয়। দুই কুণ্ডলীর ভোল্টেজের অনুপাত তাদের পাকসংখ্যার অনুপাতের সমান। গৌণ কুণ্ডলীর পাক কম হলে ভোল্টেজ কমে, সেটিই স্টেপ ডাউন; বেশি হলে ভোল্টেজ বাড়ে, সেটি স্টেপ আপ।

উদাহরণ: মুখ্য কুণ্ডলীতে দুইশো কুড়ি ভোল্ট ও এক হাজার পাক, গৌণ কুণ্ডলীতে পঞ্চাশ পাক হলে বের হবে এগারো ভোল্ট। বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে উচ্চ ভোল্টেজে পাঠানো বিদ্যুৎ বাড়িতে পৌঁছানোর আগে এভাবেই নামানো হয়।

ফাঁদ হলো অ্যাডাপ্টার। অ্যাডাপ্টার একটি সম্পূর্ণ যন্ত্র, যার ভেতরে ভোল্টেজ কমানোর ব্যবস্থার সঙ্গে প্রবাহকে একমুখী করার অংশও থাকতে পারে; ভোল্টেজ নামানোর মূল যন্ত্র হিসেবে উত্তর স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার।

লিখিত সমাধান
  1. Vs ÷ Vp = Ns ÷ Np
  2. Vp = ২২০ ভোল্ট, Np = ১০০০, Ns = ৫০
  3. Vs = ২২০ × ৫০ ÷ ১০০০
  4. Vs = ১১ ভোল্ট (গৌণ পাক কম, তাই ভোল্টেজ কম)

স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন

৩/৩
Vs ÷ Vp = Ns ÷ Np
Vp = ২২০ V, Np = ১০০০, Ns = ৫০
Vs = ২২০ × ৫০ ÷ ১০০০ = ১১ V
  1. সূত্র: গৌণ ভোল্টেজ ভাগ মুখ্য ভোল্টেজ সমান গৌণ পাক ভাগ মুখ্য পাক।
  2. ধরি মুখ্যে ২২০ ভোল্ট ও ১০০০ পাক, গৌণে ৫০ পাক।
  3. গৌণ ভোল্টেজ = ২২০ × ৫০ ÷ ১০০০ = ১১ ভোল্ট; পাক কম, ভোল্টেজও কম।
অন্য অপশনগুলো কেন ভুল

ক. ট্রান্সমিটারের সাহায্যে: বিকল্প ‘ট্রান্সমিটারের সাহায্যে’ ভুল; ট্রান্সমিটার বেতার বা টেলিভিশন সংকেত পাঠানোর যন্ত্র, ভোল্টেজ বদলানোর নয়।

খ. স্টেপ-আপ ট্রান্সফর্মারের সাহায্যে: বিকল্প ‘স্টেপ-আপ ট্রান্সফর্মারের সাহায্যে’ ঠিক উল্টো কাজ করে; গৌণ কুণ্ডলীর পাক বেশি থাকায় ভোল্টেজ বাড়ায়।

ঘ. এডাপটারের সাহায্যে: বিকল্প ‘এডাপটারের সাহায্যে’ পুরো একটি যন্ত্রের নাম, যার ভেতরে ভোল্টেজ নামানোর ব্যবস্থা থাকতে পারে; ভোল্টেজ নামানোর মূল যন্ত্র স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার।

শর্টকাট

গৌণ কুণ্ডলীর পাক কম মানে স্টেপ ডাউন, বেশি মানে স্টেপ আপ।

মনে রাখুন

পাক কমালে ভোল্ট নামে, পাক বাড়ালে ভোল্ট ওঠে।