বিগব্যাঙ তত্ত্বের প্রবক্তা-
সঠিক উত্তর
খজি. ল্যামেটার
ব্যাখ্যা
বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা বেলজিয়ান বিজ্ঞানী ও ক্যাথলিক যাজক জর্জ লেমেত্র। ১৯২৭ সালে তিনি প্রসারণশীল মহাবিশ্বের প্রস্তাব দেন, আর ১৯৩১ সালে বলেন মহাবিশ্বের শুরু একটি আদি পরমাণু থেকে।
যুক্তিটা সহজ: মহাবিশ্ব যদি প্রতিনিয়ত প্রসারিত হয়, তবে সময়ের উল্টো দিকে গেলে সবকিছু একসময় এক বিন্দুতে মিলিত ছিল। ১৯২৯ সালে এডউইন হাবলের পর্যবেক্ষণ দেখায় দূরের ছায়াপথগুলো সরে যাচ্ছে, যা এ ধারণাকে সমর্থন করে।
পরে জর্জ গ্যামো এ ধারণাকে বিকশিত করেন। আর ১৯৭০ সালে স্টিফেন হকিং ও রজার পেনরোজ গাণিতিকভাবে দেখান যে মহাবিশ্বের শুরু একটি অনন্যতা থেকে হওয়া অনিবার্য।
ফাঁদ হলো আইনস্টাইন ও হকিং। লেমেত্রের হিসাব আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতার ওপর দাঁড়ানো, আর হকিং পরে এর তাত্ত্বিক ভিত্তি মজবুত করেন; কিন্তু প্রবক্তা লেমেত্র।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪- ১৯১৫আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতা
- ১৯২৭লেমেত্র: প্রসারণশীল মহাবিশ্ব
- ১৯২৯হাবলের পর্যবেক্ষণ
- ১৯৩১লেমেত্র: আদি পরমাণু
- ১৯৭০হকিং ও পেনরোজ: অনন্যতা উপপাদ্য
- ১৯১৫ সালে আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতা, যার ওপর হিসাব দাঁড়ায়।
- ১৯২৭ সালে লেমেত্রের প্রসারণশীল মহাবিশ্ব; বিগ ব্যাংয়ের সূচনা।
- ১৯২৯ সালে হাবলের পর্যবেক্ষণ, ১৯৩১ সালে লেমেত্রের আদি পরমাণু।
- ১৯৭০ সালে হকিং ও পেনরোজের অনন্যতা উপপাদ্য।
ক. আইনস্টাইন: বিকল্প ‘আইনস্টাইন’ সাধারণ আপেক্ষিকতা দেন, যার ওপর লেমেত্রের হিসাব দাঁড়ায়; কিন্তু তিনি বিগ ব্যাংয়ের প্রবক্তা নন।
গ. স্টিফেন হকিং: বিকল্প ‘স্টিফেন হকিং’ ১৯৭০ সালে পেনরোজের সঙ্গে তত্ত্বের গাণিতিক ভিত্তি মজবুত করেন; প্রবক্তা নন, তাঁর জন্মই ১৯৪২ সালে।
ঘ. গ্যালিলিও: বিকল্প ‘গ্যালিলিও’ টেলিস্কোপ দিয়ে আকাশ পর্যবেক্ষণের পথিকৃৎ, সপ্তদশ শতকের বিজ্ঞানী; বিগ ব্যাং ধারণা তাঁর প্রায় তিনশো বছর পরের।
বিগ ব্যাংয়ের জনক লেমেত্র; প্রমাণে হাবল; আধুনিক ব্যাখ্যায় হকিং।
লেমেত্রের আদি পরমাণু ফেটেই মহাবিশ্ব।