মহাজাগতিক রশ্মির আবিস্কারক-
সঠিক উত্তর
কহেস
ব্যাখ্যা
মহাজাগতিক রশ্মি হলো মহাকাশ থেকে আসা অতি উচ্চশক্তির কণার স্রোত। এর আবিষ্কারক অস্ট্রিয়ান পদার্থবিদ ভিক্টর হেস।
১৯১২ সালে হেস বেলুনে চড়ে পাঁচ কিলোমিটারের বেশি উচ্চতায় উঠে বাতাসের আয়নন মাপেন। দেখা গেল ওপরে উঠলে আয়নন কমে না, বরং ভূপৃষ্ঠের চেয়ে অনেক বেড়ে যায়। এর মানে বিকিরণটি মাটি থেকে নয়, ওপর থেকে, অর্থাৎ মহাকাশ থেকে আসছে।
এ আবিষ্কারের জন্য ১৯৩৬ সালে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান; একই বছর পজিট্রন আবিষ্কারের জন্য কার্ল অ্যান্ডারসনও নোবেল পান।
বাকি বিজ্ঞানীদের অবদান আলাদা: টলেমি পৃথিবীকেন্দ্রিক মহাবিশ্বের মডেল দেন, আইনস্টাইন আপেক্ষিকতা তত্ত্ব, আর হাবল মহাবিশ্বের প্রসারণের পর্যবেক্ষণ।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪| বিজ্ঞানী | পরিচিত অবদান |
|---|---|
| টলেমি | পৃথিবীকেন্দ্রিক মডেল |
| আইনস্টাইন | আপেক্ষিকতা তত্ত্ব |
| হাবল | মহাবিশ্বের প্রসারণ |
| হেস | মহাজাগতিক রশ্মি, ১৯১২ |
- টলেমি: পৃথিবীকেন্দ্রিক মহাবিশ্বের মডেল।
- আইনস্টাইন: আপেক্ষিকতা তত্ত্ব।
- হাবল: ছায়াপথ সরে যাওয়ার পর্যবেক্ষণ, মহাবিশ্বের প্রসারণ।
- হেস: ১৯১২ সালে বেলুনে মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কার, ১৯৩৬ সালে নোবেল।
খ. আইনস্টাইন: বিকল্প ‘আইনস্টাইন’ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব ও আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যার জন্য বিখ্যাত; মহাজাগতিক রশ্মির আবিষ্কারক নন।
গ. টলেমি: বিকল্প ‘টলেমি’ প্রাচীন গ্রিক জ্যোতির্বিদ, পৃথিবীকেন্দ্রিক মডেল দেন; বিকিরণ মাপার যন্ত্র তাঁর যুগে ছিল না।
ঘ. হাবল: বিকল্প ‘হাবল’ ছায়াপথ সরে যাওয়ার পর্যবেক্ষণে মহাবিশ্বের প্রসারণ দেখান; মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কার করেননি।
মহাজাগতিক রশ্মি মানেই হেসের বেলুন, ১৯১২।
হেস বেলুনে উঠলেন, আকাশ থেকে রশ্মি নামল।