গ্রীনিচ মানমন্দির অবস্থিত-
সঠিক উত্তর
কযুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
গ্রিনিচ মানমন্দির, যার পুরো নাম রয়্যাল অবজারভেটরি গ্রিনিচ, যুক্তরাজ্যের লন্ডনে, টেমস নদীর কাছে গ্রিনিচ পার্কের উঁচু জায়গায় অবস্থিত।
রাজা দ্বিতীয় চার্লস ষোলোশো পঁচাত্তর সালে সমুদ্রপথে দ্রাঘিমা নির্ণয় সহজ করতে এটি প্রতিষ্ঠা করেন। পরে আঠারোশো চুরাশি সালের আন্তর্জাতিক সম্মেলনে গ্রিনিচের উপর দিয়ে যাওয়া রেখাকেই শূন্য ডিগ্রি দ্রাঘিমা বা মূল মধ্যরেখা হিসেবে মেনে নেওয়া হয়।
এই রেখা থেকেই পূর্ব ও পশ্চিমে দ্রাঘিমা মাপা হয়, আর গ্রিনিচ মান সময় থেকে পৃথিবীর সব দেশের প্রমাণ সময় হিসাব হয়। যেমন বাংলাদেশের সময় গ্রিনিচের চেয়ে ছয় ঘণ্টা এগিয়ে।
আন্তর্জাতিক তারিখরেখা থাকে এর উল্টো দিকে, মোটামুটি একশো আশি ডিগ্রি দ্রাঘিমা ধরে, প্রশান্ত মহাসাগরে। গ্রিনিচ নামটি ইংরেজি বলে যুক্তরাষ্ট্র ভাবার ভুল হতে পারে।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪- ১৬৭৫লন্ডনে রয়্যাল অবজারভেটরি প্রতিষ্ঠা
- ১৮৮৪গ্রিনিচ = মূল মধ্যরেখা, ০° দ্রাঘিমা
- আজগ্রিনিচ মান সময়; বাংলাদেশ +৬ ঘণ্টা
- গ্রিনিচ মানমন্দির লন্ডনে, টেমসের কাছে গ্রিনিচ পার্কে।
- ১৬৭৫ সালে রাজা দ্বিতীয় চার্লস প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৮৮৪ সালে গ্রিনিচ দিয়ে যাওয়া রেখা শূন্য ডিগ্রি দ্রাঘিমা ঘোষিত।
- এখান থেকেই গ্রিনিচ মান সময়; বাংলাদেশ ৬ ঘণ্টা এগিয়ে।
খ. যুক্তরাষ্ট্রে: যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিনিচ নামে জায়গা থাকলেও বিখ্যাত মানমন্দিরটি লন্ডনে।
গ. ফ্রান্সে: ফ্রান্সের প্যারিস মানমন্দির একসময় নিজস্ব মধ্যরেখা ব্যবহার করত, কিন্তু ১৮৮৪ সালে গ্রিনিচ মান হিসেবে গৃহীত হয়।
ঘ. জার্মানিতে: জার্মানির সঙ্গে গ্রিনিচ মানমন্দিরের সম্পর্ক নেই।
গ্রিনিচ = লন্ডন = ০° দ্রাঘিমা; তারিখরেখা = ১৮০°।
শূন্য থেকে শুরু, লন্ডনের গ্রিনিচ গুরু।