কোন ডালের সংগে ল্যাথারাইজম রোগের সম্পর্ক আছে?
সঠিক উত্তর
গখেসারী
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা একটি খাদ্যজনিত রোগ আর তার উৎস ডাল চিনতে চেয়েছে। ল্যাথারাইজম হয় খেসারি ডাল দীর্ঘদিন বেশি পরিমাণে খেলে।
খেসারি ডালে ওডিএপি নামে পরিচিত একটি স্নায়ুবিষ থাকে। এটি চলাচল নিয়ন্ত্রণকারী স্নায়ুকোষ নষ্ট করে, ফলে ধীরে ধীরে পায়ের পেশি দুর্বল ও শক্ত হয়ে যায় এবং পা পক্ষাঘাতগ্রস্ত হতে পারে।
খেসারি উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নাম ল্যাথাইরাস স্যাটিভাস, আর সেখান থেকেই রোগের নাম ল্যাথারাইজম। খরা সহ্য করতে পারে বলে দুর্ভিক্ষের সময় গরিব মানুষ খেসারির ওপর বেশি নির্ভর করে, তাই এ রোগও তখন বেশি দেখা যায়।
অড়হর, ছোলা ও মটরও ডাল, কিন্তু এগুলোতে এই বিষ নেই। উদ্ভিদের নাম আর রোগের নামের মিল মনে রাখলেই উত্তর নিশ্চিত।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| রোগের ধরন | স্নায়ুর ক্ষতি, পায়ের পক্ষাঘাত |
| উৎস ডাল | খেসারি, ল্যাথাইরাস স্যাটিভাস |
| বিষাক্ত উপাদান | ওডিএপি নামের স্নায়ুবিষ |
- ল্যাথারাইজম একটি খাদ্যজনিত স্নায়ুরোগ, এতে পা পক্ষাঘাতগ্রস্ত হতে পারে।
- খেসারির বৈজ্ঞানিক নাম ল্যাথাইরাস; নামের মিল লক্ষ করুন।
- খেসারির ওডিএপি নামের স্নায়ুবিষই রোগের কারণ।
ক. অড়হর: অড়হর বিকল্পটি একটি পুষ্টিকর ডাল; এতে ল্যাথারাইজম সৃষ্টিকারী স্নায়ুবিষ নেই।
খ. ছোলা: ছোলা বিকল্পটি আমিষসমৃদ্ধ ডাল; ল্যাথারাইজমের সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই।
ঘ. মটর: মটর বিকল্পটিও শিম গোত্রের ডাল, খেসারির আত্মীয়; তবে মটরে এই স্নায়ুবিষ নেই।
ল্যাথাইরাস থেকে ল্যাথারাইজম: নামেই উত্তর।
খেসারি বেশি খেলে পা হয় ভারী।