আমাদের সম্পর্কে
প্রশ্নব্যাংক নতুন · ফ্রি৩,০২১টি আসল বিসিএস প্রশ্ন, ব্যাখ্যাসহসমাধান ও ব্যাখ্যা
সাধারণ বিজ্ঞান৩৪তম বিসিএস (২০১৩)

মানবদেহে শক্তি উৎপাদনের প্রধান উৎস-

সঠিক উত্তর

গশ্বসন

ব্যাখ্যা

প্রশ্নটা জানতে চেয়েছে দেহে শক্তি আসলে কোন প্রক্রিয়ায় তৈরি হয়। উত্তর শ্বসন: কোষের ভেতরে খাদ্যের গ্লুকোজ অক্সিজেনের সাহায্যে জারিত হয়ে শক্তি মুক্ত হয়।

এই শক্তি জমা থাকে এটিপি নামের অণুতে, যাকে কোষের শক্তির মুদ্রা বলা হয়। শ্বসনের বেশির ভাগ কাজ হয় মাইটোকন্ড্রিয়ায়, তাই মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের শক্তিঘর বলে; উপজাত হিসেবে তৈরি হয় কার্বন ডাই-অক্সাইড ও পানি।

খাদ্য গ্রহণ শুধু কাঁচামাল দেহে আনে, পরিপাক সেই খাদ্য ভেঙে শোষণযোগ্য সরল উপাদানে পরিণত করে, আর রক্ত সংবহন সেই উপাদান ও অক্সিজেন কোষে পৌঁছে দেয়। কিন্তু শক্তি মুক্ত হয় কেবল শ্বসনে।

ফাঁদ হলো পরিপাক বা খাদ্য গ্রহণ: খাবার থেকেই শক্তি আসে বলে এগুলো সঠিক মনে হয়। খাবার হলো জ্বালানি, আর শ্বসন হলো সেই জ্বালানি পোড়ানো।

স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন

৪/৪
প্রক্রিয়াকাজ
খাদ্য গ্রহণজ্বালানি দেহে আনা
পরিপাকখাদ্যকে সরল উপাদানে ভাঙা
রক্ত সংবহনগ্লুকোজ ও অক্সিজেন কোষে পৌঁছানো
শ্বসনগ্লুকোজ জারিত করে এটিপি রূপে শক্তি
  1. খাদ্য গ্রহণ: কাঁচামাল দেহে আসে।
  2. পরিপাক: খাদ্য ভেঙে গ্লুকোজের মতো সরল উপাদান হয়।
  3. রক্ত সংবহন: গ্লুকোজ ও অক্সিজেন কোষে পৌঁছায়।
  4. শ্বসন: কোষে গ্লুকোজ জারিত হয়ে এটিপি রূপে শক্তি তৈরি হয়।
অন্য অপশনগুলো কেন ভুল

ক. পরিপাক: পরিপাক বিকল্পটি খাদ্যকে ভেঙে শোষণযোগ্য করে; এতে শক্তি উৎপন্ন হয় না, বরং শ্বসনের কাঁচামাল তৈরি হয়।

খ. খাদ্য গ্রহণ: খাদ্য গ্রহণ বিকল্পটি শুধু জ্বালানি দেহে আনা; খাবার কোষে জারিত না হওয়া পর্যন্ত শক্তি মেলে না।

ঘ. রক্ত সংবহন: রক্ত সংবহন বিকল্পটি পরিবহনের কাজ; গ্লুকোজ ও অক্সিজেন কোষে পৌঁছে দেয়, নিজে শক্তি তৈরি করে না।

শর্টকাট

শক্তি উৎপাদন মানেই শ্বসন, শক্তিঘর মানেই মাইটোকন্ড্রিয়া।

মনে রাখুন

খাবার জ্বালানি, শ্বসন আগুন।