কোন কাব্যটি পল্লীকবি জসীমউদ্দীন রচিত?
সঠিক উত্তর
খরাখালী
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের কাব্যগ্রন্থ চেনার। রাখালী তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ, প্রকাশিত ১৯২৭ সালে।
এ বইয়েই আছে তাঁর বিখ্যাত কবিতা কবর, যা তিনি ছাত্রাবস্থায় লেখেন এবং যা ছাত্র থাকতেই প্রবেশিকার পাঠ্যবইয়ে স্থান পায়।
তাঁর অন্য বিখ্যাত বই নকশী কাঁথার মাঠ ও সোজন বাদিয়ার ঘাট, দুটি কাহিনিকাব্য; আরও আছে বালুচর ও ধানখেত। নাম শুনলেই গ্রামবাংলার ছবি ভাসে, এটাই তাঁর বই চেনার উপায়।
চৈতালী রবীন্দ্রনাথের কাব্য, ফণিমনসা নজরুলের। আলো পৃথিবী নামে জসীমউদ্দীনের কোনো কাব্যগ্রন্থ নেই। রাখাল, মাঠ, চর, ধান, এই শব্দগুলো দেখলে জসীমউদ্দীনকে মনে করুন।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| কাব্যগ্রন্থ | কবি |
|---|---|
| চৈতালী (১৮৯৬) | রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর |
| ফণিমনসা (১৯২৭) | কাজী নজরুল ইসলাম |
| নকশী কাঁথার মাঠ (১৯২৯) | জসীমউদ্দীন |
| রাখালী (১৯২৭) | জসীমউদ্দীন |
- চৈতালী রবীন্দ্রনাথের, ফণিমনসা নজরুলের কাব্যগ্রন্থ।
- জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত কাহিনিকাব্য নকশী কাঁথার মাঠ, ১৯২৯।
- রাখালী, ১৯২৭: জসীমউদ্দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ।
ক. চৈতালী: চৈতালী রবীন্দ্রনাথের কাব্যগ্রন্থ, ১৮৯৬ সালে প্রকাশিত।
গ. ফণিমনসা: ফণিমনসা কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থ, ১৯২৭ সালে প্রকাশিত।
ঘ. আলো পৃথিবী: আলো পৃথিবী জসীমউদ্দীনের কাব্যতালিকায় নেই; তাঁর বইয়ের নামে থাকে গ্রামের ছবি।
গ্রামের শব্দ মানে জসীমউদ্দীন: রাখালী, বালুচর, ধানখেত, নকশী কাঁথার মাঠ, সোজন বাদিয়ার ঘাট।
রাখাল ছেলের বাঁশি দিয়ে শুরু পল্লীকবির পথচলা।