Johannesburg Plan of Implementation সুশাসনের সঙ্গে নিচের কোন বিষয়টিকে অধিকতর গুরুত্ব দেয়?
সঠিক উত্তর
কটেকসই উন্নয়ন
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি জোহানেসবার্গ বাস্তবায়ন পরিকল্পনা নিয়ে। এটি দুই হাজার দুই সালে দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত টেকসই উন্নয়ন বিষয়ক বিশ্ব শীর্ষ সম্মেলনের মূল দলিল। তাই এটি সুশাসনকে যুক্ত করেছে টেকসই উন্নয়নের সঙ্গে।
এই পরিকল্পনায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, প্রতিটি দেশের ভেতরে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সুশাসন টেকসই উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য। কারণ দুর্নীতি, অস্বচ্ছতা আর দুর্বল প্রতিষ্ঠান থাকলে পরিবেশ রক্ষা ও দারিদ্র্য দূরের পরিকল্পনা কাগজেই থেকে যায়।
সম্মেলনটি হয়েছিল উনিশশো বিরানব্বই সালের রিও ধরিত্রী সম্মেলনের দশ বছর পর, তাই একে রিও প্লাস টেনও বলা হয়। রিওর এজেন্ডা একুশ কতটা বাস্তবায়ন হলো, তা পর্যালোচনা করাই ছিল এর উদ্দেশ্য।
নামেই ‘টেকসই উন্নয়ন বিষয়ক সম্মেলন’ মনে রাখলে সাংস্কৃতিক বা ধর্মীয় উন্নয়নের ফাঁদে পড়ার সুযোগ থাকে না।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪- ১৯৭২স্টকহোম: মানব পরিবেশ সম্মেলন
- ১৯৯২রিও ধরিত্রী সম্মেলন, এজেন্ডা ২১
- ২০০২জোহানেসবার্গ বাস্তবায়ন পরিকল্পনা: সুশাসন ও টেকসই উন্নয়ন
- ২০১২রিও+২০: টেকসই উন্নয়ন সম্মেলন
- উনিশশো বাহাত্তর: স্টকহোম, প্রথম মানব পরিবেশ সম্মেলন।
- উনিশশো বিরানব্বই: রিও ধরিত্রী সম্মেলন, এজেন্ডা একুশ।
- দুই হাজার দুই: জোহানেসবার্গ সম্মেলন, সুশাসনকে টেকসই উন্নয়নের অপরিহার্য শর্ত বলা হয়।
- দুই হাজার বারো: রিও প্লাস টোয়েন্টি, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যের পথ তৈরি।
খ. সাংস্কৃতিক উন্নয়ন: সাংস্কৃতিক উন্নয়ন এই সম্মেলনের মূল বিষয় ছিল না; এটি ইউনেসকোর ক্ষেত্র।
গ. ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন: ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন কোনো জাতিসংঘ উন্নয়ন সম্মেলনের বিষয় নয়।
ঘ. উপরের কোনোটিই নয়: টেকসই উন্নয়ন সঠিক উত্তর, তাই ‘কোনোটিই নয়’ ভুল।
জোহানেসবার্গ সম্মেলনের পুরো নাম ‘টেকসই উন্নয়ন বিষয়ক বিশ্ব শীর্ষ সম্মেলন’; উত্তর নামেই আছে।
রিওর দশ বছর পর জোহানেসবার্গ: সুশাসন ছাড়া টেকসই উন্নয়ন নয়।