বাগদা চিংড়ি কোন দশক থেকে রপ্তানি পণ্য হিসেবে স্থান করে নেয়?
সঠিক উত্তর
ঘআশির দশক
ব্যাখ্যা
বাগদা চিংড়ি আশির দশক থেকে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্যের তালিকায় জায়গা করে নেয়। প্রচলিত উত্তর তাই আশির দশক।
সত্তরের দশকে সামান্য পরিমাণ চিংড়ি রপ্তানি হলেও তখন চাষ ছিল অল্প। আশির দশকে খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটের লোনা পানির জমিতে ঘের করে বাগদা চাষ দ্রুত বাড়ে, আর রপ্তানিও বড় আকার নেয়।
বাগদা লোনা পানির চিংড়ি, আর গলদা মিঠা পানির। দুটিই রপ্তানি হয়, তবে রপ্তানিতে বাগদার অংশ বেশি। চিংড়িকে তাই সাদা সোনা বলা হয়।
ফাঁদ হলো সত্তরের দশক, কারণ তখনই অল্প রপ্তানি শুরু হয়েছিল। কিন্তু রপ্তানি পণ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায় আশির দশকে।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩- পঞ্চাশ ও ষাটের দশকরপ্তানিমুখী চাষ নেই
- সত্তরের দশকঅল্প রপ্তানির শুরু
- আশির দশকঘেরে বাগদা চাষ, প্রধান রপ্তানি পণ্য
- পঞ্চাশ ও ষাটের দশকে রপ্তানির জন্য চিংড়ি চাষ শুরুই হয়নি।
- সত্তরের দশকে অল্প পরিমাণে রপ্তানি শুরু।
- আশির দশকে ঘেরে বাগদা চাষ বাড়ে, রপ্তানি পণ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা।
ক. পঞ্চাশ দশক: পঞ্চাশের দশকে রপ্তানির জন্য বাগদা চাষ শুরুই হয়নি।
খ. ষাট দশক: ষাটের দশকেও চিংড়ি উল্লেখযোগ্য রপ্তানি পণ্য ছিল না।
গ. সত্তর দশক: সত্তরের দশকে অল্প রপ্তানি শুরু হলেও রপ্তানি পণ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায় পরের দশকে।
চিংড়ি রপ্তানির উত্থান মানেই আশির দশক।
আশিতে এল সাদা সোনার জোয়ার।