জলবায়ু পরিবর্তনের হুমকির ব্যাপকতা তুলে ধরার জন্য কোন দেশটি সমুদ্রের গভীরে মন্ত্রিসভার বৈঠক করেছে?
সঠিক উত্তর
ঘমালদ্বীপ
ব্যাখ্যা
জলবায়ু পরিবর্তনের হুমকি বিশ্বকে দেখাতে সমুদ্রের নিচে মন্ত্রিসভার বৈঠক করেছিল মালদ্বীপ। দুই হাজার নয় সালের সতেরো অক্টোবর রাজধানী মালের উত্তরে গিরিফুশি দ্বীপের কাছে প্রায় ছয় মিটার পানির নিচে বৈঠকটি হয়।
প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ নাশিদের নেতৃত্বে মন্ত্রীরা ডুবুরির পোশাক পরে বৈঠকে বসেন, ইশারায় কথা বলেন আর কার্বন নিঃসরণ কমানোর আহ্বান জানিয়ে একটি ঘোষণায় সই করেন। সেই বছরের ডিসেম্বরে কোপেনহেগেন জলবায়ু সম্মেলনের আগে এটি ছিল প্রতীকী বার্তা।
কারণ মালদ্বীপ পৃথিবীর সবচেয়ে নিচু দেশগুলোর একটি, বেশিরভাগ ভূমি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে মাত্র এক-দুই মিটার উঁচু। সমুদ্রপৃষ্ঠ বাড়লে পুরো দেশটাই তলিয়ে যেতে পারে।
একই বার্তা দিতে কয়েক সপ্তাহ পরে নেপাল এভারেস্টের কাছে কালাপাত্থরে মন্ত্রিসভার বৈঠক করে। তাই পাহাড়ে নেপাল আর সাগরের নিচে মালদ্বীপ, দুটো জোড়া করে মনে রাখুন।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪- অক্টোবর ২০০৯মালদ্বীপ: সমুদ্রের নিচে মন্ত্রিসভা
- ডিসেম্বর ২০০৯নেপাল: এভারেস্টের কাছে মন্ত্রিসভা
- ডিসেম্বর ২০০৯কোপেনহেগেন জলবায়ু সম্মেলন
- মালদ্বীপ পৃথিবীর অন্যতম নিচু দেশ, সমুদ্রপৃষ্ঠ বৃদ্ধিতে অস্তিত্বের হুমকি।
- ১৭ অক্টোবর ২০০৯: প্রায় ৬ মিটার পানির নিচে মন্ত্রিসভার বৈঠক।
- ডিসেম্বর ২০০৯: নেপালের মন্ত্রিসভা বৈঠক এভারেস্টের কাছে কালাপাত্থরে।
- উদ্দেশ্য: কোপেনহেগেন সম্মেলনের আগে বিশ্বকে জলবায়ুর বার্তা।
ক. ফিজি: ফিজি জলবায়ু-ঝুঁকির দেশ হলেও পানির নিচে মন্ত্রিসভা বৈঠক করেনি।
খ. পাপুয়া নিউগিনি: পাপুয়া নিউগিনি এমন কোনো বৈঠক করেনি।
গ. গোয়াম: গুয়াম যুক্তরাষ্ট্রের অধীন অঞ্চল, স্বাধীন দেশ নয়; পানির নিচে বৈঠক করেছিল মালদ্বীপ।
সাগরের নিচে মালদ্বীপ, পর্বতচূড়ায় নেপাল: দুটোই দুই হাজার নয়ে, জলবায়ুর বার্তা।
ডুবন্ত দেশ ডুবেই বৈঠক করে: মালদ্বীপ।