মোবাইল কমিউনিকেশনে 4G-এর ক্ষেত্রে 3G এর তুলনায় অতিরিক্ত বৈশিষ্ট্য কি?
সঠিক উত্তর
ঘব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে থ্রি-জির তুলনায় ফোর-জির বাড়তি বৈশিষ্ট্য কী। উত্তর ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা। ফোর-জি পুরোপুরি ইন্টারনেট প্রোটোকলভিত্তিক নেটওয়ার্ক, যা থ্রি-জির চেয়ে বহুগুণ দ্রুত তারহীন ব্রডব্যান্ড দেয়।
প্রজন্মগুলো ক্রমে মনে রাখুন। ওয়ান-জি ছিল অ্যানালগ কণ্ঠস্বর। টু-জি আনে ডিজিটাল কণ্ঠস্বর ও এসএমএস। থ্রি-জি আনে মোবাইলে ডেটা, ভিডিও কল ও মোবাইল টিভি। ফোর-জি, যেমন এলটিই, আনে উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড, যাতে মোবাইলে বাসার ইন্টারনেটের মতো এইচডি ভিডিও দেখা যায়।
মাপকাঠি হিসেবে আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়ন ফোর-জির জন্য চলন্ত অবস্থায় প্রতি সেকেন্ডে একশো মেগাবিট পর্যন্ত গতির লক্ষ্য ঠিক করেছিল, যেখানে থ্রি-জির গতি সাধারণত কয়েক মেগাবিটের ঘরে থাকে।
ফাঁদ হলো ভিডিও কল ও মোবাইল টিভি। এ দুটি থ্রি-জিতেই চালু হয়েছিল, তাই ফোর-জির নতুন বৈশিষ্ট্য নয়। আর কণ্ঠস্বর তো প্রথম প্রজন্ম থেকেই আছে।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| প্রজন্ম | প্রধান নতুন সুবিধা |
|---|---|
| 1G | অ্যানালগ কণ্ঠস্বর |
| 2G | ডিজিটাল কণ্ঠস্বর, এসএমএস |
| 3G | মোবাইল ডেটা, ভিডিও কল, মোবাইল টিভি |
| 4G | উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট (এলটিই) |
- ওয়ান-জি ও টু-জি: কণ্ঠস্বর, পরে এসএমএস।
- থ্রি-জি: মোবাইল ডেটা, ভিডিও কল, মোবাইল টিভি।
- ফোর-জি: পুরো আইপি নেটওয়ার্ক, উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট।
ক. ভয়েস টেলিফোনি: ভয়েস টেলিফোনি প্রথম প্রজন্ম থেকেই আছে, ফোর-জির বাড়তি কিছু নয়।
খ. ভিডিও কল: ভিডিও কল থ্রি-জিতেই চালু হয়েছিল।
গ. মোবাইল টিভি: মোবাইল টিভিও থ্রি-জির সুবিধা ছিল।
প্রতি প্রজন্মের একটি শব্দ: ১জি কথা, ২জি এসএমএস, ৩জি ভিডিও কল, ৪জি ব্রডব্যান্ড।
থ্রি-জিতে মুখ দেখা, ফোর-জিতে দ্রুত সব কিছু।