ঘর্মাক্ত দেহে পাখার বাতাস আরাম দেয় কেন?
সঠিক উত্তর
খবাষ্পায়ন শীতলতার সৃষ্টি করে
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা দৈনন্দিন একটি অভিজ্ঞতার পেছনের বিজ্ঞান জানতে চেয়েছে। কারণ হলো বাষ্পায়ন বা বাষ্পীভবন শীতলতা সৃষ্টি করে।
তরল বাষ্প হতে তাপ লাগে, যাকে বাষ্পীভবনের সুপ্ততাপ বলে। গায়ের ঘাম বাষ্প হওয়ার সময় এই তাপ নেয় ত্বক থেকে, তাই ত্বক ঠান্ডা হয়।
পাখা বাতাসকে ঠান্ডা করে না। এটি ত্বকের কাছের আর্দ্র বাতাস সরিয়ে শুকনো বাতাস আনে, ফলে ঘাম দ্রুত বাষ্প হয় এবং আরাম লাগে; এজন্য খুব আর্দ্র ভ্যাপসা দিনে পাখার বাতাসেও আরাম কম লাগে।
ফাঁদ হলো শীতল জলীয়বাষ্প বিকল্পটি: পাখা নতুন কোনো ঠান্ডা বাষ্প আনে না, ঘরের বাতাসই নাড়ায়।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩- পাখা ত্বকের পাশের আর্দ্র বাতাস সরিয়ে দেয়।
- ফলে ঘাম দ্রুত বাষ্প হয়।
- বাষ্প হতে ত্বক থেকে সুপ্ততাপ নেয়, তাই ঠান্ডা লাগে।
ক. গায়ের ঘাম বের হতে দেয় না: গায়ের ঘাম বের হতে দেয় না বিকল্পটি ভুল; পাখা ঘাম বের হওয়া আটকায় না, বরং বের হওয়া ঘাম দ্রুত শুকায়।
গ. পাখার বাতাস শীতল জলীয়বাষ্প ধারণ করে: শীতল জলীয়বাষ্প ধারণ করে বিকল্পটি ফাঁদ; পাখা ঘরের বাতাসই নাড়ায়, বাতাসের তাপমাত্রা কমায় না।
ঘ. পাখার বাতাস সরাসরি লোমকূপ দিয়ে শরীরে ঢুকে যায়: লোমকূপ দিয়ে শরীরে ঢুকে যায় বিকল্পটি অবৈজ্ঞানিক; লোমকূপ দিয়ে ঘাম বের হয়, বাতাস ঢুকে দেহ ঠান্ডা করে না।
বাষ্পীভবন মানেই শীতলতা; মাটির কলসির পানি ঠান্ডা থাকার কারণও এটি।
ঘাম উড়ে যায়, তাপ নিয়ে যায়।