কোনটি কাজী নজরুল ইসলামের রচনা নয়?
সঠিক উত্তর
ঘবালুচর
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি নজরুলের রচনা চেনার। বালুচর নজরুলের নয়, পল্লিকবি জসীমউদ্দীনের কাব্যগ্রন্থ। নামটিই গ্রামবাংলার নদীর চরের ছবি দেয়, যা জসীমউদ্দীনের কবিতার প্রধান জগৎ।
বাকি তিনটি নজরুলের। ছায়ানট আর চক্রবাক তাঁর কাব্যগ্রন্থ। রুদ্রমঙ্গল তাঁর প্রবন্ধগ্রন্থ; নামের মঙ্গল শব্দ শুনে মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ভাবলে ভুল হবে।
জসীমউদ্দীনের অন্য বিখ্যাত কাব্য নকশী কাঁথার মাঠ, সোজন বাদিয়ার ঘাট আর রাখালী। নজরুলের আরও কাব্য অগ্নিবীণা, বিষের বাঁশী, সিন্ধু হিন্দোল।
এমন প্রশ্নে নামের ধরন দেখুন। চর, মাঠ, ঘাট, কাঁথা মানেই সাধারণত জসীমউদ্দীন; অগ্নি, বিষ, রুদ্র মানেই সাধারণত নজরুল।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| রচনা | লেখক ও ধরন |
|---|---|
| ছায়ানট | নজরুল, কাব্য |
| চক্রবাক | নজরুল, কাব্য |
| রুদ্রমঙ্গল | নজরুল, প্রবন্ধ |
| বালুচর | জসীমউদ্দীন, কাব্য |
- ছায়ানট, চক্রবাক: নজরুলের কাব্য।
- রুদ্রমঙ্গল: নজরুলের প্রবন্ধগ্রন্থ।
- বালুচর: জসীমউদ্দীনের কাব্য। তাই এটিই নজরুলের নয়।
ক. ছায়ানট: ছায়ানট নজরুলের কাব্যগ্রন্থ, তাই এটি বাদ।
খ. চক্রবাক: চক্রবাক নজরুলের কাব্যগ্রন্থ, তাই এটি বাদ।
গ. রুদ্রমঙ্গল: রুদ্রমঙ্গল নজরুলের প্রবন্ধগ্রন্থ; মঙ্গল শব্দ দেখে মঙ্গলকাব্য ভাবা ভুল।
নামের ছবি দেখুন: চর, মাঠ, ঘাট, কাঁথা জসীমউদ্দীন; অগ্নি, বিষ, রুদ্র নজরুল।
নদীর চরে পল্লিকবি, আগুনের বীণায় বিদ্রোহী।